সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->পরিচ্ছেদ নেই হাঃ-৪০৬৯

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফাজরের সলাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলার পর বলতে শুনেছেন, হে আল্লাহ! আপনি অমুক, অমুক এবং অমুকের উপর লা’নাত বর্ষণ করুন। তখন আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন, এ বিষয়ে আপনার কিছুই নেই। কারণ তারা যালিম। [৪০৭০, ৪৫৫৯, ৭৩৪৬] (আ.প্র. ৩৭৬৫, ই.ফা. ৩৭৬৮)


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ এই বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই নেই। (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/১২৮) হাঃ-৪৫৫৯

সালিম (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছেন যে, তিনি ফাজ্রের সলাতের শেষ রাকআতে রুকূ‘ থেকে মাথা তুলে ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ্ (আল্লাহ তাঁর প্রশংসাকারীর প্রশংসা শোনেন। হে আমাদের প্রতিালক! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা)’, ‘রব্বানা ওয়ালাকাল হাম্দ’ বলার পর এটা বলতেন ঃ হে আল্লাহ! অমুক, অমুক এবং অমুককে লানত করুন। তখন আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন ঃ لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ ..... فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ “তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদের শাস্তি দিবেন, এ বিষয়ে তোমার করণীয় কিছুই নেই। কারণ তারা যালিম।” ইসহাক ইবনু রাশিদ (রহ.) ইমাম যুহরী (রহ.) থেকে এটা বর্ণনা করেছেন। [৪০৬৯] (আ.প্র. ৪১৯৮, ই.ফা. ৪২০০)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->কুনূতে মুনাফিকদের উপর অভিসম্পাত হাঃ-১০৭৮

আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফজরের সালাতে শেষ রাকাআতের রুকূ থেকে মাথা ওঠালেন তখন তিনি তাঁকে ইয়া আল্লাহ! অমুক অমুক ব্যক্তির উপর অভিসম্পাত কর বলে কতিপয় মুনাফিকের উপর বদদোয়া করতে শুনেছেন। এসময় আল্লাহ, তা‘আলা নাযিল করেন (আরবী) “তিনি তাদের ওপর ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদের শাস্তি দেবেন- এই বিষয়ে তোমার করণীয় কিছুই নেই; কারন তারা জালিম” (৩: ১২৮)।