সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->কাতার সোজা করা সালাতের পূর্ণতার অঙ্গ। হাঃ-৭২২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ অনুসরণ করার জন্যই ইমাম নির্ধারণ করা হয়। কাজেই তার বিরুদ্ধাচরণ করবে না। তিনি যখন রুকূ’ করেন তখন তোমরাও রুকু’ করবে। তিনি যখন 'سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه' বলেন , তখন তোমরা 'رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ' বলবে। তিনি যখন সিজদা করবেন তখন তোমরাও সিজদা করবে। তিনি যখন বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও সবাই বসে সালাত আদায় করবে। আর তোমরা সালাতে কাতার সোজা করে নিবে, কেননা কাতার সোজা করা সালাতের সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->ফরয তাকবীর বলা ও সালাত শুরু করা । হাঃ-৭৩২

আনাস ইব্‌নু মালিক আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ায় চড়েন। ফলে তাঁর ডান পাঁজরে আঁচড় লাগে। আনাস (রাঃ) বলেন এ সময় কোন এক সালাত আমাদের নিয়ে তিনি বসে আদায় করেন। আমরাও তাঁর পিছনে বসে সালাত আদায় করি। সালাম ফিরানোর পর তিনি বললেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁকে অনুসরণ করার জন্যই। তাই তিনি যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। আর তিনি যখন রুকূ’ করেন তখন তোমারাও রুকূ’ করবে। তিনি যখন সিজদা করেন তখন তোমরাও সিজদা করবে। তিনি যখন “سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه” বলেন, তখন তোমরা “رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ” বলবে।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->ফরয তাকবীর বলা ও সালাত শুরু করা । হাঃ-৭৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁর অনুসরণের জন্য। তাই যখন তিনি তাকবীর বলেন, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, যখন তিনি রুকূ’ করেন তখন তোমরাও রুকূ’ করবে। যখন ‘سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه’ বলেন তখন তোমরা বলবে ‘رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ’ আর তিনি যখন সিজদা করেন তখন তোমরাও সিজদা করবে। যখন তিনি বসে সালাত আদায় করেন তখন তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সিজদায় যাওয়ার সময় তাকবীর বলতে বলতে নত হওয়া । হাঃ-৮০৫

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া হতে পড়ে যান। কোন কোন সময় সুফিয়ান (রহঃ) হাদীস বর্ণনা সময় 'عَن فَرَس' শব্দের স্থলে 'مَن فَرَس' শব্দ বলতেন। ফলে তাঁর ডান পাঁজর আহত হয়ে পড়ে। আমরা তাঁর শুশ্রুষা করার জন্য সেখানে গেলাম। এ সময় সালাতের ওয়াক্ত হলো। তিনি আমাদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন, আমরাও বসেই আদায় করলাম। সুফিয়ান (রহঃ) আর একবার বলেছেন, আমরা বসে সালাত আদায় করলাম। সালাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁকে ইকতিদা করার জন্য। তিনি যখন তাকবীর বলেন, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, তিনি যখন রুকু‘ করেন তখন তোমরাও রুকু‘ করবে। তিনি যখন রুকু‘ হতে উঠেন, তখন তোমরাও উঠবে, তিনি যখন 'سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه ' বলেন, তখন তোমরা ‘رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ’ বলবে। তিনি যখন সিজদা করেন, তখন তোমরাও সিজদা করবে। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, মা’মারও কি এরূপ বর্ণনা করেছেন? [‘আলী (রহঃ) বলেন] আমি বললাম হ্যাঁ। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি ঠিকই স্মরণ রেখেছেন, এরূপই যুহরী (রহঃ) ‘وَلَكَ الحَمدُ’ বর্ণনা করেছেন। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, (যুহরীর কাছ হতে) ডান পাঁজর জখম হওয়ার কথা মুখস্ত করেছিলাম। কিন্তু যখন তাঁর কাছ হতে বেরিয়ে আসলাম, তখন ইব্‌নু জুরায়জ (রহঃ) বললেন, আমিও তাঁর নিকট ছিলাম। (তিনি বলেছেন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ডান পায়ের নল যখন হয়েছিল।


সহিহ বুখারী অঃ->সালাতে কসর করা বাব->উপবিষ্ট ব্যক্তির সালাত। হাঃ-১১১৩

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে সালাত আদায় করলেন, তখন তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাই তিনি বসে বসে সালাত আদায় করছিলেন এবং এক দল সাহাবী তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে লাগলেন। তখন তিনি বসে পড়ার জন্য তাদের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ ইমাম নির্ধারণ করা হয় তাঁকে অনুসরণ করার উদ্দেশে। কাজেই তিনি রুকূ’ করলে তোমরা রুকূ’ করবে এবং তিনি মাথা তুললে তোমরাও মাথা তুলবে।


সহিহ বুখারী অঃ->সালাতে কসর করা বাব->উপবিষ্ট ব্যক্তির সালাত। হাঃ-১১১৪

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া হতে পড়ে গেলেন। এতে আঘাত লেগে তাঁর ডান পাশের চামড়া ছিলে গেল। আমরা তাঁর রোগের খোঁজ-খবর নেয়ার জন্য তাঁর নিকট গেলাম। ইতোমধ্যে সালাতের সময় হলে তিনি বসে সালাত আদায় করলেন। আমরাও বসে সালাত আদায় করলাম। পরে তিনি বললেনঃ ইমাম তো নির্ধারণ করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্যে। কাজেই তিনি বললেনঃ ইমাম তাকবীর বললে, তোমরাও তাকবীর বলবে, রুকূ করলে তোমরাও রুকু করবে, তিনি মাথা তুললে তোমরাও মাথা তুলবে। তিনি যখন ------- বলে তোমরা বলবে --------।


সহিহ বুখারী অঃ->সাহু বাব->সালাতের মধ্যে ইঙ্গিত করা। হাঃ-১২৩৬

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অসুস্থ অবস্থায় তাঁর ঘরে বসে সালাত আদায় করছিলেন। একদল সাহাবী তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে লাগলেন। তিনি তাঁদের প্রতি ইঙ্গিত করলেন, বসে যাও। সালাত শেষ করে তিনি বললেন, ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে তাকে অনুসরণ করার জন্য। কাজেই তিনি রুকূ’ করলে তোমরা রুকূ’ করবে; আর তিনি মাথা উঠালে তোমরাও মাথা উঠাবে।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে হাঃ-৮০৭

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তাঁর শরীরের ডানপাশ আহত হল। আমরা তাঁকে দেখতে গেলাম। ইতিমধ্যে সলাতের সময় হয়ে গেল। তিনি আমাদের নিয়ে বসে বসে সলাত আদায় করলেন। আমরাও তার পেছনে বসে সলাত আদায় করলাম। তিনি সলাত শেষ করে বললেনঃ ইমাম এজন্যই বানানো হয় যে, তার অনুসরন করা হবে। অতএব সে যখন আল্ল-হু আকবার বলে তোমরাও ‘আল্ল-হু আকবার’ বল। সে যখন সাজদাহ্ করে , তোমরাও সাজদাহ্ কর।সে যখন হাত উঁচু করে দাঁড়ায় তোমরাও হাত উঁচু করে দাঁড়াও। সে যখন ‘সামি আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলে, তোমরা তখন ‘রব্বানা- ওয়ালাকাল হামদ” বল। সে যখন বসে সলাত আদায় করে (ইমামতি করে) , তোমরাও সবাই মিলে বসে সলাত আদায় কর। (ই.ফা.৮০৪, ই.সে. ৮১৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে হাঃ-৮১৬

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইমাম এজন্য নিযুক্ত করা হয় যে, তার অনুসরন করা হবে, তোমরা কখনো তার উল্টো করো না। সে যখন আল্ল-হু আকবার বলে, তোমরাও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলো। সে যখন রুকু‘ করে, তোমরাও তখন রুকু‘ করো। সে যখন “সামি‘আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরাও তখন ‘আল্ল-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বলো। সে যখন সাজদায় যায়, তোমরাও তখন সাজদায় যাও। সে যখন বসে সলাত আদায় করে, তোমরাও সবাই মিলে বসে সলাত আদায় করো। (ই.ফ.৮১৩, ই.সে. ৮২৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->তাকবীর ও অন্যান্য বিষয়ে ইমামের আগে যে কোন কাজ করা নিষেধ হাঃ-৮১৮

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে (সলাতের ) শিক্ষা দিয়ে বলতেনঃ ইমামের আগে কোন কাজ করো না। সে যখন ‘আল্লা-হু আকবার’ বলে, তোমরা ‘আল্লা-হু আকবার’ বলো। সে যখন,’ওয়ালায্ যোয়া-ল্লীন’ বলে, তোমরাও তখন ‘আ-মীন’ বল। সে যখন রুকুতে যায়, তোমরাও তখন রুকুতে যাও। সে যখন “সামি ‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরা তখন “আল্ল-হুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। (ই.ফা.৮১৫,ই.সে.৮২৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->তাকবীর ও অন্যান্য বিষয়ে ইমামের আগে যে কোন কাজ করা নিষেধ হাঃ-৮২১

আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইমাম এ জন্য নিযুক্ত করা হয় যে ,তার অনুসরন করা হবে। সে যখন তাকবীর বলে- তোমরাও তাকবীর বলো। সে যখন সাজদাহ্ করে, তোমরাও সাজদাহ্ করো। সে যখন “সামি আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলে-তোমরা তখন “আল্ল-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বলো। সে যখন দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করো। সে যখন বসে সলাত আদায় করে তোমরাও সবাই মিলে বসে সলাত আদায় করো। (ই.ফা.৮১৮, ই.সে.৮৩০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->বসা অবস্থায় ইমামতি করা হাঃ-৬০১

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ায় সওয়ার হন এবং ঘোড়ার পিঠ থেকে নিচে পড়ে গিয়ে তিনি ডান পাঁজরে ব্যাথা পান। ফলে তিনি কোন এক ওয়াক্তের সলাত বসে আদায় করেন। আমরাও তাঁর পেছনে বসে সলাত আদায় করলাম। সলাত শেষে তিনি বললেনঃ ইমাম এজন্যই নিয়োগ করা হয়, যেন তার অনুসরণ করা হয়। ইমাম দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করলে তোমরাও তখন দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করবে। ইমাম রুকু’ করলে তখন তোমরা ও রুকু’ করবে। ইমাম মাথা উঠালে তোমরাও তখন মাথা উঠাবে। আর ইমাম “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বললে তোমরা বলবে, “রব্বানা লাকাল হামদ”। আর ইমাম বসে সলাত আদায় করলে তোমরা সকলেই বসে সলাত আদায় করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। হাঃ-১২৩৮

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে নিক্ষিপ্ত হলে তাঁর ডান পার্শ্বদেশ আহত হয়। আমরা তাঁকে দেখতে গেলাম। সলাতের ওয়াক্ত হয়ে গেলে তিনি বসা অবস্থায় আমাদের সালাত পড়ান এবং আমরাও তাঁর পেছনে বসা অবস্থায় সালাত পড়ি। তিনি সালাত শেষ করে বলেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। তিনি যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো, তিনি যখন রুকূ‘ করেন, তোমরাও রুকূ‘ করো, তিনি যখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলেন, তোমরা বলো, ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হাম্‌দ’। তিনি যখন সাজদাহ করেন, তোমরাও সাজদাহ করো এবং তিনি যখন বসা অবস্থায় সালাত পড়েন, তোমরাও সকলে বসা অবস্থায় সালাত পড়ো। [১২৩৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। হাঃ-১২৩৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। অতএব তিনি যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো, তিনি যখন রুকূ‘তে যান, তোমরাও রুকূ‘তে যাও, তিনি যখন সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলেন, তোমরা তখন ‘রাব্বানা ওয়ালাকাল হাম্‌দ’ বলো, তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত পড়লে তোমরাও দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত পড়ো এবং তিনি বসা অবস্থায় সালাত পড়লে তোমরাও বসা অবস্থায় সালাত পড়ো। [১২৩৯]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->ইমাম যখন বসে নামায আদায় করে তখন তোমরাও বসে নামায আদায় কর হাঃ-৩৬১

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সময়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে গিয়ে আহত হলেন। তিনি বসে বসে আমাদের নামায আদায় করালেন, আমরাও তাঁর সাথে বসে বসে নামায আদায় করলাম। নামায হতে ফিরে তিনি বললেনঃ ইমাম এজন্যই নিযুক্ত করা হয় যাতে তার অনুসরণ করা হয়। যখন সে আল্লাহু আকবার বলবে তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, যখন সে রুকূতে যাবে তোমরাও রুকূতে যাবে; যখন সে মাথা তুলবে তোমরাও মাথা তুলবে; যখন সে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে তোমরা তখন ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’ বল; যখন তিনি সাজদাহ্‌তে যান তোমরাও সিজদায় যাও; যখন তিনি বসে নামায আদায় করেন তোমরাও সবাই বসে নামায আদায় কর। সহীহ। ইবনু মাজাহ-(১২৩৮), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->ইমামত বাব->ইমামের অনুসরণ করা হাঃ-৭৯৪

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(একদা) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া থেকে ডানদিকে পড়ে গেলেন। লোক তাঁকে দেখতে (তাঁর ঘরে) প্রবেশ করল। ইতিমধ্যে সালাতের সময় উপস্থিত হল। তিনি সালাত শেষ করে বললেনঃ ইমাম বানানো হয় তার অনুসরণ করার জন্য। যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন মাথা উঠান, তোমরাও মাথা উঠাবে আর যখন সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে। আর যখন ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলেন, তখন তোমরা বলবে রাব্বানা লাকাল্‌ হাম্‌দ।


সুনান নাসাঈ অঃ->ইমামত বাব->বসে সালাত আদায়কারী ইমামের পেছনে ইকতিদা করা হাঃ-৮৩২

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ঘোড়ায় আরোহণ করলেন এবং তা থেকে পড়ে তাঁর ডান পাঁজরে আঘাত পেলেন। এরপর এক ওয়াক্ত সালাত বসে আদায় করলেন, আমরাও তাঁর পেছনে বসে সালাত আদায় করি। সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ ইমাম নিযুক্ত হয় তার অনুসরণ করার জন্য। ইমাম যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। যখন ইমাম (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আর যখন ইমাম বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সকলেই বসে সালাত আদায় করবে। [১]


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আল্লাহ তায়ালার বাণীঃ যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে তা শুনবে এবং চুপ থাকবে। আশা করা যায় তাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হবে- আয়াতের ব্যাখ্যা হাঃ-৯২১

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয়েছে তাঁর অনুসরণ করার জন্য। অতএব, যখন সে তাকবীর বলে তখন তোমরাও তাকবীর বল, আর যখন সে কুরআন পড়ে তখন তোমরা চুপ থাকবে, আর যখন তিনি বলেন, ‘সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ তখন তোমরা বলবে, ‘রাব্বানা লাকাল হামদ’।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আল্লাহ তায়ালার বাণীঃ যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে তা শুনবে এবং চুপ থাকবে। আশা করা যায় তাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হবে- আয়াতের ব্যাখ্যা হাঃ-৯২১

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয়েছে তাঁর অনুসরণ করার জন্য। অতএব, যখন সে তাকবীর বলে তখন তোমরাও তাকবীর বল, আর যখন সে কুরআন পড়ে তখন তোমরা চুপ থাকবে, আর যখন তিনি বলেন, ‘সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ তখন তোমরা বলবে, ‘রাব্বানা লাকাল হামদ’।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আল্লাহ তায়ালার বাণীঃ যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে তা শুনবে এবং চুপ থাকবে। আশা করা যায় তাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হবে- আয়াতের ব্যাখ্যা হাঃ-৯২১

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয়েছে তাঁর অনুসরণ করার জন্য। অতএব, যখন সে তাকবীর বলে তখন তোমরাও তাকবীর বল, আর যখন সে কুরআন পড়ে তখন তোমরা চুপ থাকবে, আর যখন তিনি বলেন, ‘সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ তখন তোমরা বলবে, ‘রাব্বানা লাকাল হামদ’।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->মুকতাদী যা বলবে হাঃ-১০৬১

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া থেকে ডান কাতে পড়ে গেলেন। তখন লোক তাঁকে দেখার জন্য আসলেন। এমতাবস্থায় সালাতের সময় উপস্থিত হল। তিনি সালাত শেষ করে বললেন, ইমাম তো হন এজন্য তাঁর ইকতিদা করা হবে। যখন সে রুকূ করবে তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন সে উঠবে তখন তোমরাও উঠবে। আর যখন ইমাম ‘সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলবে তখন তোমরা ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’ বলবে।