সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->খাইবার যুদ্ধ হাঃ-৪৫৫৯

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারে এলেন, তখন বললেন, আমরা যখন কোন কাওমের আঙ্গিনায় পৌঁছি, তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত অশুভ হয়ে যায়। (ই.ফা. ৪৫১৬, ই.সে. ৪৫১৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->জিহাদ বাব->নেতার আনুগত্য প্রসঙ্গে হাঃ-২৬২৫

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সেনাদল প্রেরণ করলেন এবং একজনকে এর সেনাপতি বানিয়ে তাদেরকে সেনাপতির কথা শোনার ও আনুগত্য করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর ঐ সেনাপতি আগুন জ্বালিয়ে তাদেরকে তাতে ঝাঁপ দেয়ার নির্দেশ দিলেন। একদল লোক তাতে ঝাঁপ দিতে অস্বীকার করে বললো, আমরা তো আগুন থেকেই পালিয়াছি (জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্যই ইসলাম কবুল করেছি)। আবার কিছু লোক আগুনে ঝাঁপ দেয়ার মনস্থ করলো। বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কানে পৌঁছালে তিনি বললেনঃ তারা যদি আগুনে ঝাঁপ দিতো তাহলে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে যেতো। তিনি আরো বললেনঃ আল্লাহর অবাধ্যতায় কারোর আনুগত্য নেই। আনুগত্য কেবল সৎ কাজে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বায়‘আত বাব->যদি কেউ কাউকে কোন অন্যায় কাজ করতে বলে এবং সে তা করে, তার বিনিময় হাঃ-৪২০৫

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সেনাদল প্রেরণ করেন এবং তাদের জন্য এক ব্যক্তিকে অধিনায়ক নিযুক্ত করেন। তিনি আগুন জ্বালিয়ে লোকদের তাতে প্রবেশ করতে বললেন। কেউ কেউ তো তাতে প্রবেশের ইচ্ছা করে; আর অন্যরা বলেঃ আমরা তো আগুন থেকেই পালিয়ে এসেছি। এরপর তারা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়টি অবহিত করলে, তিনি যারা আগুনে প্রবেশ করতে মনস্থ করেছিল তাদেরকে বলেন, যতি তোমরা তাতে প্রবেশ করতে, তবে তোমরা কিয়ামত পর্যন্ত থাকতে। আর যারা প্রবেশ করতে ইচ্ছা করেন নি, তিনি তাদের কাজকে উত্তম বলে অভিহিত করলেন। আবূ মূসা (রহঃ) তার হাদীসে একটি উত্তম কথা বলেছেন, তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌ তা‘আলার অবাধ্যতায় কারো আনুগত্য করা যাবে না; আনুগত্য শুধু ভাল কাজে করতে হবে।