সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->যে ব্যক্তি যুদ্ধ করার ইচ্ছা করে এবং অন্যদিকে আকর্ষণের মাধ্যমে তা গোপন করে রাখে আর যে বৃহস্পতিবারে সফরে বের হতে পছন্দ করে। হাঃ-২৯৪৭

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু কা‘ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ছিলেন কা‘বের পুত্রদের মধ্যে নেতা, তিনি বলেন, আমি কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে শুনেছি, যখন তিনি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে পেছনে থেকে গিয়েছিলেন। রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই কোথাও যুদ্ধে যাবার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি অন্য দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে দিয়ে তা গোপন রাখতেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->মক্কায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আনসারের প্রতিনিধি দল এবং আকাবার বায়’আত। হাঃ-৩৮৮৯

আবদুল্লাহ ইব্‌নু কা’ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌নু কা’ব (রহঃ) যিনি কা’ব এর পথ প্রদর্শক ছিলেন যখন কা’ব অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি বলেন, আমি কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) - কে তাবূক যুদ্ধকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তাঁর পশ্চাতে হতে যাওয়ার ঘটনাটি সবিস্তারে বর্ণনা করতে শুনেছি। ইব্‌নু বুকায়র তাঁর বর্ণনায় এ কথাটিও বলেন যে, কা’ব (রাঃ) বলেছেন, আমি ‘আকাবার রাতে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। যখন আমরা ইসলামের উপর দৃঢ় থাকার অঙ্গীকার করেছিলাম। সে রাতের পরিবর্তে বদর যুদ্ধে উপস্থিত হওয়া আমার নিকট অধিক প্রিয় নয়, যদিও বদর যুদ্ধ জনগণের মধ্যে ‘আকাবার চেয়ে বেশি আলোচিত ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬০২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০৭)


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->বদর যুদ্ধের ঘটনা ও মহান আল্লাহ্‌র বাণী হাঃ-৩৯৫১

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু কা’ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সব যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে তাবূকের যুদ্ধ ব্যতীত অন্য কোন যুদ্ধে আমি অনুপস্থিত ছিলাম না। তবে বদর যুদ্ধে আমি অনুপস্থিত ছিলাম। কিন্তু বদর যুদ্ধে যারা যোগদান করেননি তাদেরকে কোন প্রকার দোষারোপ করা হয়নি। আসলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশ কাফিলার উদ্দেশ্যেই যাত্রা করেছিলেন। কিন্তু পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা ব্যতীতই আল্লাহ্ তা’আলা তাদের (মুসলিমদের) সঙ্গে তাদের দুশমনদের মুকাবালা করিয়ে দেন। [২৭৫৭] (আ.প্র. ৩৬৬০, ই.ফা. ৩৬৬৩)


সহিহ বুখারী অঃ->অনুমতি চাওয়া বাব->গুনাহগার ব্যক্তির তাওবাহ করার আলামাত প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এবং গুনাহগারের তাওবাহ কবূল হবার প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত যিনি তাকে সালাম করেননি এবং তার সালামের জবাবও দেননি। হাঃ-৬২৫৫

আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব (রাঃ) বলেনঃ যখন কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) তাবূকের যুদ্ধে যোগদান না করে পিছনে রয়ে যান, আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার সাথে সালাম কালাম করতে সকলকে নিষেধ করে দেন। (তখনকার ঘটনা) আমি কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) –কে বলতে শুনেছি যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসতাম এবং তাঁকে সালাম করতাম আর মনে মনে বলতাম যে, আমার সালামের জবাবে তাঁর ঠোঁট দু’টি নড়ছে কিনা। পঞ্চাশ দিন পূর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাতের সময় ঘোষণা দিলেন যে, আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাদের তাওবাহ কবূল করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৮)