সহিহ বুখারী অঃ->যুল্‌ম ও ক্বিসাস বাব->যে ব্যক্তি জেনে শুনে অন্যায় বিষয়ে বিবাদ করে তার গুনাহ। হাঃ-২৪৫৮

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মু সালামা (রাঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

একদিন তিনি তাঁর ঘরের দরজার নিকটে ঝগড়ার শব্দ শুনতে পেয়ে তাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন। [তার (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট বিচার চাওয়া হল] তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তো একজন মানুষ। আমার কাছে (কোন কোন সময়) ঝগড়াকারীরা আসে। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অন্যের চেয়ে অধিক বাকপটু। তখন আমি মনে করি যে, সে সত্য বলেছে। তাই আমি তার পক্ষে রায় দেই। বিচারে যদি আমি ভুলবশত অন্য কোন মুসলমানের হক তাকে দিয়ে থাকি, তবে তা দোযখের টুকরা। এখন সে তা গ্রহন করুক বা ত্যাগ করুক।


সহিহ বুখারী অঃ->আহকাম বাব->বিচারক যাকে তার ভাই-এর হক প্রদান করে, সে যেন তা না নেয়, কারণ বিচারকের ফায়সালা হারামকে হালাল এবং হালালকে হারাম করতে পারে না। হাঃ-৭১৮১

যাইনাব বিন্‌ত আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তার কাছে বর্ণনা করছেন যে, একবার তিনি তাঁর কক্ষের দরজায় ঝগড়া বিবাদের শব্দ শুনতে পেলেন। এরপর তিনি তাদের কাছে এসে বললেন, আমি তো একজন মানুষ। আমার নিকট বাদী-বিবাদীরা আসে। হয়ত তোমাদের মাঝে কেউ অন্যের তুলনায় কথায় পটু। আমি মনে করি যে সে সত্যবাদী। ফলে আমি তার পক্ষে ফায়সালা করি। কিন্তু আমি যদি কোন মুসলিমের হক অন্য কারো জন্য ফায়সালা করি, তাহলে সেটা এক খন্ড আগুন ব্যতীত আর কিছু নয়। কাজেই সে চাইলে তা গ্রহণ করুক অথবা তা ত্যাগ করুক। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯২)


সহিহ মুসলিম অঃ->বিচার বিধান বাব->অন্যায় হক প্রতিষ্ঠিত হয় না বিচারকের সদৃশ ফায়সালায় হাঃ-৪৩৬৭

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হুজ্‌রার দ্বার প্রান্তে জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল শুনতে পেলেন। তখন তিনি তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, আমি তো একজন মানুষ আর আমার কাছে কোন মুকাদ্দমা দায়েরকারী আসে। তাদের একজনের চেয়ে অন্যজন খুব ভাল করে কথা বলতে জানে। আমি তখন মনে করি সেই সঠিক, তাতে আমি তার পক্ষে রায় প্রদান করি। আমি যার পক্ষে (অপর)মুসলিমদের হকের ব্যাপারে রায় দেই, তা বস্তুত জাহান্নামের একটি টুকরা। অতএব সে তা গ্রহন করুক কিংবা ছেড়ে দিক। (ই. ফা. ৪৩২৬, ই. সে. ৪৩২৭)