সহিহ বুখারী অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->ক্রয়-বিক্রয়, ইজারা, মাপ ও ওজন ইত্যাদি প্রত্যেক শহরে প্রচলিত রসম ও নিয়ম গ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে তাদের নিয়্যত ও প্রসিদ্ধ পন্থাই অবলম্বন করা হবে। হাঃ-২২১১

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু’আবিয়াহ (রাঃ)-এর মা হিন্দা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) একজন কৃপণ ব্যক্তি। এমতাবস্থায় আমি যদি তার মাল হতে গোপনে কিছু গ্রহণ করি, তাতে কি গুনাহ হবে? তিনি বললেন, তুমি তোমার ও সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যায়ভাবে গ্রহণ করতে পার।


সহিহ বুখারী অঃ->ভরণ-পোষণ বাব->স্বামী যদি (যথাযথ) খরচ না করে, তাহলে তার অজ্ঞাতে স্ত্রী তার ও সন্তানের প্রয়োজন অনুসারে ‎ন্যায়সঙ্গতভাবে খরচ করতে পারে। হাঃ-৫৩৬৪

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিন্‌দা বিন্‌ত উত্‌বা বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আবূ সুফিয়ান একজন কৃপণ লোক। আমাদের এত পরিমাণ খরচ দেন না, যা আমার ও আমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হতে পারে যতক্ষণ না আমি তার অজান্তে মাল থেকে কিছু নিই। তখন তিনি বললেনঃ তোমার ও তোমার সন্তানের জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে যা যথেষ্ট হয় তা তুমি নিতে পার।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬০)


সহিহ বুখারী অঃ->ভরণ-পোষণ বাব->ওয়ারিসের উপরেও অনুরূপ দায়িত্ব আছে। ‎ হাঃ-৫৩৭০

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিন্‌দা এসে বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আবূ সুফিয়ান কৃপণ লোক। আমার ও সন্তানের জন্য যথেষ্ট হয় এমন কিছু যদি তার মাল থেকে গ্রহণ করি, তবে কি আমার গুনাহ হবে? তিনি বললেনঃ ন্যায়সঙ্গতভাবে নিতে পার।আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->বিচার বিধান বাব->‘হিন্দার ঘটনা’ হাঃ-৪৩৬৯

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিন্দা বিন্‌ত উত্‌বা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করেন না। তবে আমি তাকে না জানিয়েই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহন করে থাকি। এতে কি আমার কোন পাপ হবে? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাঁর সম্পদ থেকে ততটুকু গ্রহণ করতে পার, যা তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়। (ই. ফা. ৪৩২৮, ই. সে. ৪৩২৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ইজারা (ভাড়া ও শ্রম বিক্রয়) বাব->নিজের আয়ত্তধীন মাল থেকে নিজের প্রাপ্য গ্রহন হাঃ-৩৫৩২

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা মু‘আবিয়াহ (রহঃ) এর মা হিন্‌দা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, আবূ সুফিয়ান একজন কৃপণ লোক। তিনি আমার ও আমার সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য প্রয়োজন পরিমাণ খরচ দেন না। আমি তার মাল থেকে খরচের জন্য কিছু নিলে অন্যায় হবে কি? তিনি বললেন, তোমরা ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয় এরূপ পরিমাণ মাল ন্যায়সঙ্গতভাবে নিতে পারো। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২২৯৩)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ব্যবসা-বাণিজ্য বাব->স্বামীর সম্পদে স্ত্রীর হক। হাঃ-২২৯৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আবু সুফিয়ানের স্ত্রী) হিন্‌দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবু সুফিয়ান খুবই কৃপণ লোক। সে আমার ও আমার সন্তানের জীবন ধারণে যথেষ্ট হওয়ার মত খরচপাতি দেয় না। তাই আমি তার অগোচরে তার সম্পদ থেকে কিছু নেই (যাতে যথেষ্ট হয়)। তিনি বলেনঃ তোমার ও তোমার সন্তানের জন্য যথেষ্ট হতে পারে ততটুকু ন্যায়সংগতভাবে নিতে পারো। [২২৯৩]


সুনান নাসাঈ অঃ->বিচারকের নীতিমালা বাব->অনুপস্থিতিতে তার ব্যাপারে মীমাংসা করা হাঃ-৫৪২০

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা হিন্দা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আবূ সুফিয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। সে না আমার খরচ দেয়, না আমার সন্তানদের। আমি কি তাঁর মাল হতে তাঁর অনুমতি ব্যতীত নিতে পারি? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার এবং তোমার সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী সঙ্গতভাবে নিতে পার।