‘আবদুল্লাহ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেবল দু’টি বিষয়ে ঈর্ষা করা বৈধ; (১) সে ব্যক্তির উপর, যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন, অতঃপর তাকে বৈধ পন্থায় অকাতরে ব্যয় করার ক্ষমতা দিয়েছেন; (২) সে ব্যক্তির উপর, যাকে আল্লাহ তা’আলা প্রজ্ঞা দান করেছেন, অতঃপর সে তাঁর মাধ্যমে বিচার ফায়সালা করে ও তা অন্যকে শিক্ষা দেয়। (১৪০৯,৭১৪১,৭৩১৬; মুসলিম ৬/৪৭ হাঃ ৮১৬, আহমাদ ৩৪৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭৩)
ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি কেবল মাত্র দু’ধরনের ব্যক্তির প্রতি ঈর্ষা রাখা যেতে পারে, একজন এমন ব্যক্তি যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং ন্যায় পথে তা ব্যয় করার মত ক্ষমতাবান করেছেন। অপরজন এমন ব্যক্তি যাকে আল্লাহ দ্বীনের জ্ঞান দান করেছেন (আর তিনি) সে অনুযায়ী ফয়সালা দেন ও অন্যান্যকে তা শিক্ষা দেন।
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’রকম লোক ব্যতীত কারো উপর হিংসা করা যাবে না। (এক) যাকে আল্লাহ্ সম্পদ দিয়েছেন এবং হকপথে খরচ করার ক্ষমতা দান করেছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ্ হিক্মাত (দ্বীনের বিষয়ে তীক্ষ্ন বুদ্ধি) দান করেছেন, আর সে এর আলোকে বিচার করে এবং তা অন্যকে শিখায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৮)
'আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’ প্রকারের লোক ছাড়া কারো সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। এক প্রকারের লোক হ’ল- যাকে আল্লাহ অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন এবং হাক্ব পথে তা ব্যয় করার তাওফীক্ব তাকে দিয়েছেন। আর অন্য ব্যক্তি হ’ল যাকে আল্লাহ তা’আলা ‘হিক্বমাহ্’ বা সঠিক জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী কাজ করে এবং তা অন্যদের শিক্ষা দেয়। (ই.ফা. ১৭৬৬, ই.সে ১৭৭৩)
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’ ব্যক্তি ছাড়া আর কারো ব্যাপারে ঈর্ষা করা বৈধ নয়। (এক) যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং তাকে তা সৎকাজে ব্যয় করার মনোবলও দিয়েছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং সে তদ্দ্বারা (সঠিক) মীমাংসা করে এবং তা (লোককে) শিক্ষা দেয়।[৩৫৪০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।