আল-মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট ‘দাজ্জাল’ সম্বন্ধে আমার চেয়ে বেশি কেউ প্রশ্ন করেনি যত প্রশ্ন আমি করেছি। তিনি আমাকে বলেন, হে বৎস! তার কোন্ বিষয় তোমাকে অস্থির করেছে? সে কিছুতেই তোমার অনিষ্ট করতে পারবে না। মুগীরাহ্ বলেন, আমি বললাম, তারা তো ধারণা করে থাকে যে, তার সাথে পানির নহরসমুহ এবং রুটির পাহাড়সমুহ থাকবে। তিনি বললেন, তা আল্লাহ্র নিকট তার থেকে সহজতর। (ই.ফা. ৫৪৩৯, ই.সে. ৫৪৬১)
মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দাজ্জালের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমার চেয়ে এতো বেশী আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। তিনি বলেছেন: তোমার কাছে যেটা পীড়াদায়ক তা তোমার কোন ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম হবে না। জবাবে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! লোকেরা বলাবলি করছে যে, তার সাথে খাদ্য এবং পানির ঝর্ণা থাকবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা তো আল্লাহর কাছে তার চেয়েও অনেক সহজ। (ই.ফা. ৭১১১, ই.সে. ৭১৬৫)
মুগীরাহ্ ইবনু শুবাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দাজ্জালের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আমার চেয়ে বেশী আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। আর তিনি আমাকে বলেছেন, তোমার কি প্রশ্ন? তিনি বলেন, জবাবে আমি বললাম, লোকেরা কথোপকথন করছে যে, তার সাথে রুটি ও গোশতের পর্বত এবং পানির ঝর্ণা থাকবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা তো আল্লাহর কাছে তার তুলনায় সহজ। (ই.ফা. ৭১১২, ই.সে. ৭১৬৬)
মুগীরাহ বিন শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট দাজ্জাল সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক কেউ জিজ্ঞা্সা করেনি। তিনি আমাকে বলেনঃ তুমি তার সম্পর্কে কী জানতে চাচ্ছো? আমি বল্লাম, লোকজন বলাবলি করে যে, তার সাথে অঢেল পানাহারের সামগ্রী থাকবে। তিনি বলেনঃ আল্লাহর নিকট তা মামুলি ব্যাপার। [৩৪০৫]