সহিহ বুখারী অঃ->জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন বাব->নেক বা পাপিষ্ঠ লোকের সঙ্গে কৃত ওয়াদা ভঙ্গে পাপ। হাঃ-৩১৮৬

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা হবে। একজন রাবী বলেছেন, পতাকাটি স্থাপিত হবে অপরজন বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রদর্শন করা হবে এবং তা দিয়ে তার পরিচয় দেয়া হবে।


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->ক্বিয়ামাতের দিন মানুষকে তাদের পিতার নামে ডাকা হবে। হাঃ-৬১৭৮

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শপথ ভঙ্গকারীর জন্য ক্বিয়ামাতের দিন একটা পতাকা দাঁড় করানো হবে। আর বলা হবে যে, এটা অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩২)


সহিহ বুখারী অঃ->কূটকৌশল বাব->কেউ যদি কোন বাঁদী চুরি করার পর বলে, সে মরে গেছে এবং বিচারকও মৃত বাঁদীর মূল্যের ফায়সালা করে দেন। এরপর যদি সে বাঁদী মালিকের হস্তগত হয়ে যায়, তখন সে মালিকেরই হবে। তবে মালিক মূল্য ফেরত দেবে। এ মূল্য (বাঁদীর) দাম বলে গণ্য হবে না। হাঃ-৬৯৬৬

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য ক্বিয়ামাতের দিন একটা পতাকা থাকবে, যার দ্বারা তাকে চেনা যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৯৫


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->চুক্তিভঙ্গ হারাম হাঃ-৪৪২৩

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই প্রতারণাকারীর জন্য আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামাত দিবসে একটি পতাকা উড্ডীন করবেন। তখন বলা হবে যে, এটি অমুকের ধোঁকাবাজির পতাকা। (ই.ফা. ৪৩৮১, ই.সে. ৪৩৮১)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->চুক্তিভঙ্গ হারাম হাঃ-৪৪২৪

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক প্রতারণাকারীর জন্য কিয়ামাত দিবসে একটি পতাকা থাকবে। (ই.ফা. ৪৩৮২, ই.সে. ৪৩৮২)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->চুক্তিভঙ্গ হারাম হাঃ-৪৪২৫

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামাত দিবসে একটি পতাকা থাকবে। তখন বলা হবে যে, এটি অমুকের প্রতারণার পতাকা। (ই.ফা. ৪৩৮৩, ই.সে. ৪৩৮৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->চুক্তিভঙ্গ হারাম হাঃ-৪৪২৮

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামাত দিবসে একটি পতাকা থাকবে, যেটা দিয়ে তাকে চেনা যাবে। (ই.ফা. ৪৩৮৬, ই.সে. ৪৩৮৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->চুক্তিভঙ্গ হারাম হাঃ-৪৪২৯

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: কিয়ামাত দিবসে প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর নিতম্বের (পাছা) পার্শ্বে একটি পতাকা থাকবে। (ই.ফা. ৪৩৮৭, ই.সে. ৪৩৮৭)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->জিহাদ বাব->ওয়াদা পূরণ করা হাঃ-২৭৫৬

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে। বলা হবে, এটা অমুকের পু্ত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->বায়আত অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে হাঃ-২৮৭২

আবদুল্লাহ (বিন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে পতাকা স্থাপন করা হবে এবং বলা হবে, এটা অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার পতাকা। [২৮৭২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ মুতাওয়াতির।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->বায়আত অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে হাঃ-২৮৭২

আবদুল্লাহ (বিন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে পতাকা স্থাপন করা হবে এবং বলা হবে, এটা অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার পতাকা। [২৮৭২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ মুতাওয়াতির।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->বায়আত অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে হাঃ-২৮৭৩

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাবধান! কিয়ামাতের দিন প্রত্যেক প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতকের জন্য তার প্রতারণার মাত্রা অনুযায়ী একটি করে পতাকা স্থাপন করা হবে। [২৮৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।