সহিহ বুখারী অঃ->খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) বাব->আল্লাহ্‌ তাআলার বাণীঃ নিশ্চয় এক পঞ্চমাংশ আল্লাহ্‌র ও রাসূলের। (৮:৪১) তা বন্টনের ইখতিয়ার রাসূলেরই। হাঃ-৩১১৬

মু‘আবিয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আল্লাহই দানকারী আর আমি বণ্টনকারী। এ উম্মত সর্বদা তাদের প্রতিপক্ষের উপর বিজয়ী থাকবে, আল্লাহর আদেশ আসা পর্যন্ত আর তারা বিজয়ী থাকবে।’


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন ও সুন্নাহ্‌কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা বাব->নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর বাণীঃ আমার উম্মাতের মধ্যে এক দল সর্বদাই হকের উপর বিজয়ী থাকবেন। আর তাঁরা হলেন (দ্বীনী) ইলমের অধিকারী। হাঃ-৭৩১২

মু’আবিয়া ইব্‌নু আবূ সুফয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ্‌ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আমি (ইল্‌মের) বন্টনকারী মাত্র; আল্লাহ্‌ তা দান করে থাকেন। এ উম্মাতের কার্যকলাপ কেয়ামত অবধি কিংবা বলেছিলেন, মহান আল্লাহ্‌ তা’আলার হুকুম আসা পর্যন্ত (সত্যের উপর) সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৪)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->আলিমদের মর্যাদা এবং জ্ঞানার্জনে উৎসাহিত করা । হাঃ-২২০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ তা'আলা যার কল্যাণ সাধন করতে চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। [২১৮]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জ্ঞান বাব->আল্লাহ তা‘আলা যার কল্যাণ চান তাকে ধর্মের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করেন হাঃ-২৬৪৫

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা যে ব্যক্তির কল্যাণ চান, তাকে ধর্মের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করেন। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২২০), বুখারী ও মুসলিম।