সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->ফিত্‌নার ব্যাপ্তি । হাঃ-৭০৬২

শাকিক থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ও আবূ মূসা (রাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। তাঁরা বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অবশ্যই ক্বিয়ামাতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন সব জায়গায় মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে এবং ইল্‌ম উঠিয়ে নেয়া হবে। সে সময় ‘হারজ্‌’ বর্ধিত হবে। আর ‘হারজ্‌’ হল (মানুষ) হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৪)


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->ফিত্‌নার ব্যাপ্তি । হাঃ-৭০৬৩

শাকিক থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ ও আবূ মূসা (রাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। তাঁরা বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অবশ্যই ক্বিয়ামাতের আগে এমন একটি সময় আসবে যখন সব জায়গায় মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে এবং ইল্‌ম উঠিয়ে নেয়া হবে। সে সময় ‘হারজ্‌’ বর্ধিত হবে। আর ‘হারজ্‌’ হল (মানুষ) হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৪)


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->ফিত্‌নার ব্যাপ্তি । হাঃ-৭০৬৬

আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার সম্পর্কে আমার ধারণা, তিনি হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ক্বিয়ামাতের আগে হারজ অর্থাৎ হত্যার যুগ শুরু হবে। তখন ইল্‌ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং মূর্খতা প্রকাশিত হয়ে পড়বে। আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, হাবশী ভাষায় ‘হারজ’ অর্থ (মানুষ) হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘ইল্‌ম বাব->শেষ যামানায় ‘ইল্‌ম উঠে যাওয়া, অজ্ঞতা ও ফিতনা প্রকাশ পাওয়া প্রসঙ্গে হাঃ-৬৬৮১

আবূ ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ও আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর সাথে বসে ছিলাম। তাঁরা উভয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের সন্নিকটকালে এমন কিছু সময় আসবে যখন ‘ইল্‌ম তুলে নেয়া হবে। সে সময় অজ্ঞতা নেমে আসবে এবং ‘হার্জ’ বৃদ্ধি পাবে। ‘হার্জ’ মানে হত্যা। (ই. ফা. ৬৫৪৪, ই. সে. ৬৫৯৮)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কলহ-বিপর্যয় বাব->কুরআনসহ দ্বীনের জ্ঞান লোপ পাবে হাঃ-৪০৫০

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে এলেম উঠিয়ে নেয়া হবে, অজ্ঞতা ও মূর্খতার প্রসার ঘটবে এবং হারজ অর্থাৎ গণহত্যা ব্যাপক আকারে হবে। [৩৩৮২]