সহিহ বুখারী অঃ->স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান বাব->রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণী: ভাল স্বপ্ন আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে হয় । হাঃ-৬৯৮৫

আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যখন তোমাদের কেউ এমন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে, তাহলে তা আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে। তাই সে যেন এ জন্য আল্লাহ্‌র প্রশংসা করে এবং অন্যের কাছে তা বর্ণনা করে। আর যদি এর বিপরীত অপছন্দনীয় কিছু দেখে, তাহলে তা শয়তানের পক্ষ থেকে। তাই সে যেন এর ক্ষতি থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় চায়। আর কারো কাছে যেন তা বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫১৪)


সহিহ বুখারী অঃ->স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান বাব->পছন্দনীয় নয় স্বপ্নে এমন কিছু দেখলে তা কারো কাছে না বলা এবং সে সম্পর্কে কোন আলোচনা না করা । হাঃ-৭০৪৪

আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে ফেলত। অবশেষে আমি আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে দিত। শেষে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, ভাল স্বপ্ন আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাই যখন কেউ পছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন এমন লোকের কাছেই বলবে, যাকে সে পছন্দ করে। আর যখন অপছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন যেন সে এর ক্ষতি ও শয়তানের ক্ষতি থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় চায় এবং তিনবার থু থু ফেলে আর সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->স্বপ্ন বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণী : যে আমাকে স্বপ্নে দেখলো সে আমাকেই দেখলো হাঃ-৫৭৯৬

আবূ সালামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম, যা আমাকে রোগগ্রস্ত করে দিত। তিনি বলেন, পরে আমি আবূ কাতাদাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গে দেখা করলাম (এবং আমার সমস্যার ব্যাপারটি তাঁকে বললাম)। তখন তিনি বললেন, আমিও এমন স্বপ্ন দেখতাম, যা আমাকে অসুস্থ করে দিত। অবশেষে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনলাম, ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে। অতএব তোমাকে কেউ যখন এমন (স্বপ্ন) দেখে, যা সে পছন্দ করে তাহলে তা তার ঘনিষ্ট লোক ব্যতীত কারো নিকট যেন প্রকাশ না করে। আর যখন এমন (স্বপ্ন) দেখে, যা সে অপছন্দ করে তাহলে সে যেন তার বামপাশে তিন (বার) থু থু নিক্ষেপ করে এবং শাইতানের অনিষ্ট ও স্বপ্নের অমঙ্গল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে ও কাউকে তা না বলে। কারণ (এভাবে করলে) সে স্বপ্ন তার কোন অকল্যাণ হবে না। (ই.ফা. ৫৭০৬, ই.সে. ৫৭৩৮)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->আল্লাহ তা’আলা একশত রাহমাত সৃষ্টি করেছেন হাঃ-৩৫৪৩

আবূ হুরাইরাহ্‌(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যখন আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেন, সে সময় নিজের হাতে নিজের উপর অনিবার্য করে লিখে নিয়েছেন : আমার রাহমাত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী থাকবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৮৯), বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->আল্লাহ তা’আলা একশত রাহমাত সৃষ্টি করেছেন হাঃ-৩৫৪৩

আবূ হুরাইরাহ্‌(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যখন আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেন, সে সময় নিজের হাতে নিজের উপর অনিবার্য করে লিখে নিয়েছেন : আমার রাহমাত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী থাকবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৮৯), বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->আল্লাহ তা’আলা একশত রাহমাত সৃষ্টি করেছেন হাঃ-৩৫৪৩

আবূ হুরাইরাহ্‌(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যখন আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেন, সে সময় নিজের হাতে নিজের উপর অনিবার্য করে লিখে নিয়েছেন : আমার রাহমাত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী থাকবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৮৯), বুখারী ও মুসলিম।