আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘এক সময় আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বললেন, আমি নিদ্রিত ছিলাম। দেখলাম আমি জান্নাতে অবস্থিত। হঠাৎ দেখলাম এক নারী একটি দালানের পাশে উযু করছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ দালানটি কার? তারা উত্তরে বললেন, ‘উমারের। তখন তাঁর আত্মমর্যাদার কথা আমার স্মরণ হল। আমি পেছনের দিকে ফিরে চলে আসলাম।’ একথা শুনে ‘উমর (রাঃ) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার সম্মুখে কি আমার কোন মর্যাদাবোধ থাকতে পারে?
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সময় আমরা আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, একবার আমি ঘুমিয়েছিলাম। স্বপ্নে আমি নিজেকে জান্নাতে দেখতে পেলাম। আমি দেখলাম, এক নারী একটি প্রাসাদের উঠানে উযূ করছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ প্রাসাদটি কার? ফেরেশতামণ্ডলী বললেন, তা ‘উমার (রাঃ) এর। আমি ‘উমার (রাঃ) এর সূক্ষ্ম মর্যাদাবোধের কথা মনে করে ফিরে এলাম। ‘উমার (রাঃ) (শুনে) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, আপনার নিকটও কি মর্যাদাবোধ দেখাব হে আল্লাহ্র রসূল? (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪০৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪১২)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বসা ছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি একদিন ঘুমন্ত অবস্থায় জান্নাতে একটি প্রাসাদের পার্শ্বে একজন মহিলাকে ওযু করতে দেখলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এই প্রাসাদটি কার? আমাকে বলা হলো, এটা ‘উমার (রাঃ) - এর। তখন আমি ‘উমারের আত্মমর্যাদার কথা স্মরন করে পিছন ফিরে চলে এলাম। এ কথা শুনে উমার (রাঃ) সেই মজলিসেই কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনার কাছেও কি আত্মসম্মানবোধ প্রকাশ করব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৪৭)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি একবার নিদ্রিত ছিলাম। আমি আমাকে জান্নাতে দেখতে পেলাম। একজন মহিলা একটি প্রাসাদের পাশে উযূ করছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এই প্রাসাদটি কার? তারা বলল, ‘উমারের। তখন তার আত্মমর্যাদাবোধের কথা স্মরণ করলাম। তাই আমি ফিরে এলাম। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, আমার পিতা-মাতা আপনার ওপর কুরবান হোক! হে আল্লাহ্র রসূল (আপনার কাছেও কি) আমি আত্মমর্যাদাবোধ প্রদর্শন করব? (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৫০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমি শুয়ে ছিলাম। স্বপ্নে আমাকে আমি জান্নাতে দেখতে পাই। ওখানে একটি অট্টালিকার কিনারে একজন নারী ওযূ করছিল। আমি জানতে চাইলাম। এটি কার? তারা বলল, ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের। তখন ‘উমারের আত্মসম্মানবোধের কথা আমার স্মরণ হলে, আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম। আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) কেঁদে দিলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমরা সকলে এ মাজলিসে ছিলাম। তারপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনার উপর আমার মা-বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি আপনার প্রতি আত্মসম্মানবোধ দেখাবো? (ই.ফা. ৫৯৮৪, ই.সে. ৬০২৩)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে বসা ছিলাম। তিনি বলেন, একদা আমি স্বপ্নে নিজেকে জান্নাতের মধ্যে দেখলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, এক মহিলা একটি প্রাসাদের নিকট বসে উদূ করছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, প্রাসাদটি কার? মহিলা বললো, উমার (রাঃ)-এর। তখন উমারের আত্মমর্যাদাবোধের কথা আমার স্মরণ হলো এবং আমি সেখান থেকে পেছনে ফিরে এলাম। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, (এ কথা শুনে) উমার (রাঃ) কেঁদে দিলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আমি আপনার উপর কিভাবে আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করতে পারি। [১০৫]