‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার উপর যুল্ম করবে না এবং তাকে যালিমের হাতে সোপর্দ করবে না। যে কেউ তার ভাইয়ের অভাব পূরণ করবে, আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তার বিপদসমূহ দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ ঢেকে রাখবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ ঢেকে রাখবেন।
সালিম-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি অত্যাচার করে না এবং তাকে দুশমনের হাতে সোপর্দও করে না। যে ব্যক্তি তার ভাই-এর অভাব-অনটন পূরণ করবে আল্লাহ তার অভাব-অনটন দূরীভূত করবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তা’আলা তার প্রতিদানে কিয়ামাত দিবসে তাকে বিপদ থেকে পরিত্রাণ দিবেন। আর যে ব্যক্তি মুসলিমের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাত দিবসে তার দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবেন। (ই.ফা. ৬৩৪২, ই. সে. ৬৩৯২)
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। কাজেই সে তার উপর নির্যাতন করবে না এবং তাকে অসহায় অবস্থায়ও ছেড়ে যাবে না। যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজন মিটাবে, আল্লাহ তার প্রয়োজন মিটাবেন। একইভাবে যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ ক্বিয়ামতের দিনে তার বিপদ দূর করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ গোপন রাখবে, ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দোষ গোপন রাখবেন।
সালিম (রহঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলমান একজন অন্যজনের ভাই। সে তার উপর কোনরকম যুলুম-অত্যাচার করতে পারে না এবং শত্রুর কাছেও তাকে সমর্পণ করতে পারে না বা তাকে অসহায়ভাবে ছেড়ে দিতে পারে না। কোন লোক তার ভাইয়ের প্রয়োজন মিটানোর কাজে যে পর্যন্ত লেগে থাকে, আল্লাহ তা‘আলাও তার প্রয়োজন মিটিয়ে দেন। কোন মুসলমান ব্যক্তির কোন অসুবিধা যে লোক অপসারণ করে দেয়, আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামাত দিবসে তার অসুবিধাগুলোর মধ্য হতে একটি অসুবিধা দূর করে দিবেন। কোন মুসলমান ব্যক্তির দোষ-ক্রটি যে লোক গোপন করে রাখে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামাত দিবসে তার দোষ-ত্রুটি গোপন করে রাখবেন। সহীহ্, সহীহাহ্ (৫০৪), নাসা-ঈ