আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ চতুষ্পদ জন্তুর আঘাত [৪৬] দায়মুক্ত, কূপ (খননে শ্রমিকের মৃত্যুতে মালিক) দায়মুক্ত, খনি (খননে কেউ মারা গেলে মালিক) দায়মুক্ত। রিকাযে এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, খনি ও কূপে কাজ করা অবস্থায় অথবা জন্তু-জানোয়ারের আঘাতে মারা গেলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না এবং রিকায (খনিজ দ্রব্যে) পঞ্চমাংশ দিতে হবে।
আবূ হুরাইরাহ (রহঃ)’র মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পশু আহত করলে, খণি বা কূপে পড়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারে কোন ক্ষতিপূরণ নেই। গুপ্তধনের এক-পঞ্চমাংশ দেয়া ওয়াজিব। [১৪৯৯; মুসলিম ২৯/১১, হাঃ ১৭১০, আহমাদ ৭২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ পশুর আঘাত দণ্ডযোগ্য নয়, কূপে পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষতি দণ্ডযোগ্য নয় এবং খনিতে নিপতিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির ক্ষতি দণ্ডযোগ্য নয়। (অর্থাৎ- ঐসব কারনে যদি কেউ আহত বা নিহত হয়, তবে এতে কোন ‘দিয়্যাত’ বা ক্ষতিপূরণ নেই।) আর গুপ্তধন অথবা খনিজ পদার্থ প্রাপ্তিতে এক পঞ্চমাংশ নির্ধারিত (বাইতুল মালের জন্য)। (ই. ফা. ৪৩১৬, ই.সে. ৪৩১৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ কূপের মধ্যে পতিত হয়ে কেউ আহত বা নিহত হলে তা দণ্ডযোগ্য নয়, খনিতে আহত হলে তাও দণ্ডযোগ্য নয় এবং পশুর আক্রমণে আহত হলেও তা দণ্ডযোগ্য নয়। আর খনিতে অথবা গুপ্তধন প্রাপ্তিতে এক পঞ্চমাংশ নির্ধারিত (বাইতুল মালের জন্য)। (ই.ফা. ৪৩১৯, ই.সে. ৪৩২০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: চতুষ্পদ জন্তু আহত করলে তা কিসাসযোগ্য নয়, খনিতে চাপা পড়ে ও কূপের মধ্যে পড়ে মারা গেলে নিহত ব্যক্তির রক্তমূল্য ক্ষমা এবং মাটির নীচে প্রাপ্ত সম্পদের এক-পঞ্চমাংশ (সরকারকে) দিতে হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, জন্তু যদি দিবাভাগে মাঠে চরাকালে আহত করে এবং সঙ্গে রাখাল না থাকে তাহলে মাফ, কিন্তু এরূপ রাতেরবেলা সংঘটিত হলে এ হুকুম প্রযোজ্য নয়।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পশুর আঘাতে দণ্ড নেই, খনিতে দণ্ড নেই এবং কূপে পরাতে দণ্ড নেই। [২৬৭৩]
আমর বিন আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ পশুর আঘাতে দণ্ড নেই এবং খনিতে দণ্ড নেই। [২৬৭৪]
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পশুর আঘাতে, খনিতে, এবং কূপে পড়াতেও কোন দণ্ড নেই। রিকাযে পাঁচ ভাগের এক ভাগ (যাকাত) নির্ধারিত হবে। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৬৭৩), বুখারী, মুসলিম।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, চতুষ্পদ জন্তু (জন্তুর আঘাতজনিত মৃত্যু) ক্ষতিপূরণমুক্ত। কুয়া (কুয়ায় পড়ে মৃত্যুবরণ করলে) ক্ষতিপূরণমুক্ত। আর খনি (খনিতে পড়ে মৃত্যুবরণ করলেও) ক্ষতিপূরণমুক্ত এবং মাটির তলায় প্রাপ্ত সম্পদে (খনিজ দ্রব্যে) এক-পঞ্চমাংশ (যাকাত ওয়াজিব হবে)।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ চতুষ্পদ জন্তু(র আঘাত জনিত মৃত্যুতে কোন) ক্ষতিপূরণমুক্ত। কুয়া(য় পড়ে মৃত্যু বরন করলে তার কোন) ক্ষতিপূরণমুক্ত, খনি(তে পড়ে মৃত্যুবরণ করলে তার কোন) ক্ষতিপূরণমুক্ত এবং মাটির তলায় প্রাপ্ত সম্পদে (খনিজ দ্রব্যে) এক-পঞ্চমাংশ (যাকাত ওয়াজিব হবে।)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুয়া (তে পড়ে মৃত্যুবরণ করলে তার কোন) ক্ষতিপূরণমুক্ত, চতুষ্পদ জন্তু(র আঘাতজনিত মৃত্যুতে কোন) ক্ষতিপূরণমুক্ত, খনি(তে পড়ে মৃত্যুবরণ করলে তার কোন) ক্ষতিপূরণমুক্ত আর মাটির তলায় প্রাপ্ত সম্পদে (খনিজ দ্রব্যে) এক-পঞ্চমাংশ (যাকাত ওয়াজিব হবে)।