সহিহ মুসলিম অঃ->‘কাসামাহ’ (খুনের ব্যপারে হলফ করা), ‘মুহারিবীন’ (শত্রু সৈন্য), ‘কিসাস” (খুনের বদলা) এবং ‘দিয়াত’ (খুনের শাস্তি স্বরূপ জরিমানা) বাব->যখন কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির জীবন অথবা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর আক্রমণ করে, তখন যদি আক্রান্ত ব্যক্তি তা প্রতিহত করে এবং প্রতিহত করার সময় আঘাতকারীর জীবন অথবা অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে, তবে এর জন্য তাকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না হাঃ-৪২৫৮

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইলায়া ইবনু মুন্‌ইয়া অথবা ইবনু উমাইয়াহ্‌ (রাঃ) এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হল। তখন একজন অপর জনের হাতে দাঁত দিয়ে কামড় বসিয়ে দিল। সে যখন আপন হাত তার মুখ থেকে সজোরে টেনে আনল তখন তার সম্মুখভাগের একটি দাঁত খসে গেল। ইবনু মুসান্না (একটির স্থলে) দু’টি দাঁত বলেছেন। উভয়েই তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একজন কি এমনভাবে দাঁত দিয়ে কামড় দিলে যেমনভাবে উট কামড় দেয়? তবে এরজন্য কোন (দিয়্যাত) ক্ষতিপূরণ নেই। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭০] (ই.ফা. ৪২১৯, ই.সে. ৪২১৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->নারীর পরিবর্তে পুরুষকে হত্যা করা হাঃ-৪৭৪২

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক বালিকা রূপার অলঙ্কার পরিহিত অবস্থায় বের হলে এক ইয়াহূদী তাকে ধরল। তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলে এবং তার শরীরের অলঙ্কার ছিনিয়ে নিয়ে গেল। লোকজন এসে তাকে এমন অবস্থায় পেল যে, তখনও তার নিঃশ্বাস অবশিষ্ট আছে। তারা তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে গেলে তিনি বললেনঃ তোমাকে কে আঘাত করেছে ? অমুক ব্যক্তি ? সে বললোঃ না, আল্লাহর কসম! তিনি বললেনঃ অমুক ব্যক্তি ? শেষ পর্যন্ত তিনি আঘাতকারী ইয়াহূদীর নাম নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে, সে তার মাথার ইশারায় বললোঃ হ্যাঁ। ঐ লোকটি ধৃত হলে তা সে স্বীকার করলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলে দুই প্রস্তরের মধ্যে রেখে তার মাথা চূর্ণ করা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->কামড় দেওয়ার কিসাস এবং এ সম্পর্কে ইমরান ইব্‌ন হুসায়ন (রাঃ)-থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য হাঃ-৪৭৬০

যুরার (রহঃ) ইমরান ইব্‌ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়ালা এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়া করলো এবং তাদের একজন অন্যজনের হাতে কামড় দিল। সে তার মুখ থেকে নিজের হাত টেনে নিতেই অন্যজনের দাঁত পড়ে গেল। পরে উভয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিচারপ্রার্থী হলে আসল। তিনি বললেনঃ তোমাদের একেকজন তার ভাইকে কামড় দিবে আবার দিয়াতও চাইবে ? তার জন্য কোন দিয়াত নেই।