সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ হাঃ-৪৭৬১

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, অথবা অন্য কেউ জিজ্ঞেস করলো, আল্লাহ্‌র নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ্ কোন্টি? তিনি বললেন, কাউকে আল্লাহ্‌র সমকক্ষ স্থির করা, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোন্টি? তিনি জবাব দিলেন, তোমার সন্তানকে এ আশংকায় হত্যা করা যে, তারা তোমার খাদ্যে ভাগ বসাবে। আমি বললাম, এরপর কোন্টি? তিনি বললেন,এরপর হচ্ছে তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করা। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর এ কথার সমর্থনে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় “এবং তারা আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন ইলাহ্কে আহ্বান করে না। আল্লাহ্ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না।” [৪৪৭৭] (আ.প্র. ৪৩৯৮, ই.ফা. ৪৪০০)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->সন্তান সাথে খাবে, এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। হাঃ-৬০০১

আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! কোন্‌ গুনাহ সব হতে বড়? তিনি বললেনঃ কাউকে আল্লাহ্‌র সমকক্ষ গণ্য করা, অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি বললেনঃ তারপরে কোন্‌টি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার সাথে খাবে, এ আশঙ্কায় তোমার সন্তানকে হত্যা করা। [১৫] তিনি বললেনঃ তারপরে কোন্‌টি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে যিনা করা। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথার সত্যতা প্রতিপন্ন করে অবতীর্ণ হলোঃ “আর যারা আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কোন ইলাহ্‌কে ডাকে না”- (সূরা আল-ফুরক্বান ২৫/৬৮)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৬২)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ হে রসুল! তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রচার কর, যদি না কর তাহলে তুমি তাঁর বার্তা পৌছানোর দায়িত্ব পালন করলে না। (সূরা আল-মায়িদাহ ৫/৬৭) হাঃ-৭৫৩২

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র কাছে কোন্ গুনাহ্‌টি সব চেয়ে বড়? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র বিপরীতে কাউকে ডাকা অথচ তিনিই (আল্লাহ্) তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। সে বলল, এরপর কোন্‌টি? তিনি বললেনঃ এরপর তোমার সঙ্গে আহার করবে এ ভয়ে (তোমার) সন্তানকে হত্যা করা। সে বলল, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ এরপর তোমাদের প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যিনা করা। এরই সমর্থনে আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ তারা আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কোন ইলাহ্‌কে ডাকে না। আর যথার্থতা ব্যতীত কোন প্রাণ হত্যা করে না যা আল্লাহ্ নিষিদ্ধ করেছেন আর তারা ব্যভিচার করে না। আর যে এগুলো করে সে শাস্তির সাক্ষাৎ লাভ করবে। তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে ........... (সূরাহ আল-ফুরক্বান ২৫/৬৮)। [৪৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০২৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->শিরক ঘৃণ্যতম গুনাহ এবং শিরকের পরে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ হাঃ-১৫৯

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ। আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন তুমি আল্লাহর জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী সাব্যস্ত করবে অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। সে বলল, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, তুমি তোমার সন্তানকে এ আশঙ্কায় হত্যা করবে যে, সে তোমার আহারে ভাগ বসাবে। সে বলল, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার লিপ্ত হবে। এ উক্তির সমর্থনে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেন, “আর তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহকে ডাকে না, আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে ব্যক্তি এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে” (সূরা আল-ফোরকান ২৫ : ৬৮) (ই.ফা. ১৬০; ই.সে. ১৬৬)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->তালাক বাব->ব্যভিচারের পরিণাম হাঃ-২৩১০

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সবচেয়ে বড় পাপ কি? তিনি বলেনঃ আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার সন্তান তোমার খাদ্যে ভাগ বসাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। তিনি বলেন, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার যিনা করা। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথার সমর্থনে অবতীর্ণ করা হয়ঃ “যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে আহবান করে না এবং আল্লাহর হারাম করা কোন প্রাণকে অকারণে হত্যা করে না এবং যিনা করে না। তবে যারা এরূপ করে, তারা তাদের পাপের ফল ভোগ করবে।”