সাহল ইব্নু সা‘দ আস-সা‘ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত এক ব্যক্তির দিকে তাকালেন। লোকটি ছিল ধনী এবং প্রভাবশালী লোকদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বললেনঃ কেউ জাহান্নামী লোক দেখতে চাইলে, সে যেন এই লোকটিকে দেখে। (ফলে) এক লোক তার পেছনে পেছনে যেতে লাগল। সে যুদ্ধ করতে থাকল অবশেষে আহত হয়ে গেল। তখন সে শিঘ্র মৃত্যু কামনা করল, সে তারই তরবারীর অগ্রভাগ বুকের উপর রেখে সজোরে এমনভাবে চাপ দিল যে, তলোয়ারটি তার বক্ষ ভেদ করে পৃষ্ঠদেশ পার হয়ে গেল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কোন লোক এমন কাজ করে যায়, যা দেখে লোকেরা একে জান্নাতী লোকের কাজ বলে মনে করে। কিন্তু (আসলে) সে জাহান্নামবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। আর কোন বান্দা এমন কাজ করে যায়, যা দেখে লোকেরা একে জাহান্নামীদের কাজ বলে মনে করে। অথচ সে জান্নাতী লোকদের অন্তর্ভুক্ত। বস্তুতঃ শেষ অবস্থার উপরই ‘আমালের ফলাফল নির্ভর করে। [৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৪৯)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যামানায় কোন চামড়া নির্মিত ঢাল বা সাধারণ ঢালের সমান মূল্যের জিনিস চুরি করা ব্যতীত হাত কাটা হত না। ‘উসমান, হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান...... 'আয়িশা (রাঃ) থেকে ঐ রকম বর্ণনা করেছেন।[মুসলিম ২৯/১, হাঃ ১৬৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৩৫)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সময়ে একটি ঢালের মূল্যের কম সম্পদ চুরির অপরাধে চোরের হাত কাটা হতো না। (আরবী) শব্দের অর্থ (আরবী) ‘হাজাফাহ্’ বা ‘তুরস’ উভয় শব্দের অর্থই আত্মরক্ষার মূল্যবান ঢাল। (ই. ফা. ৪২৫৭, ই. সে. ৪২৫৭)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ হাফজা (শুধু চামড়ার ধাল) বা তুরস (কাঠ ও চামড়াযোগে গঠিত ঢাল)-এর মত মূল্যের বস্তুতে চোরের হাত কাটা যাবে না। এর প্রত্যেকটিই মূল্যবান বস্তু।