সহিহ বুখারী অঃ->শরীয়তের শাস্তি বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ পুরুষ কিংবা নারী চুরি করলে তাদের হাত কেটে দাও- (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৩৮)। কী পরিমাণ মাল চুরি করলে হাত কাটা যাবে। ‘আলী (রাঃ) কব্জি পর্যন্ত কেটেছিলেন। আর ক্বাতাদাহ (রাঃ) এক মহিলা সম্পর্কে বলেছেন যে চুরি করেছিল, এতে তার বাম হাত কাটা হয়েছিল। এ ব্যতীত আর কোন শাস্তি দেয়া হয়নি। হাঃ-৬৭৯৪

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যামানায় কোন চোরের হাত কাটা হত না যদি সে একটি চামড়ার ঢাল বা সাধারণ ঢালের প্রতিটির মূল্যের চেয়ে কম মূল্যের কিছু চুরি করত। ওয়াকী’ (রহঃ) ও ইব্‌নু ইদ্রিস (রহঃ) ‘উরওয়াহ (রহঃ) থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৩৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->অপরাধের (নির্ধারিত) শাস্তি বাব->চুরির শাস্তি ও তার পরিমাণ হাঃ-৪২৯৬

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সময়ে একটি ঢালের মূল্যের কম সম্পদ চুরির অপরাধে চোরের হাত কাটা হতো না। (আরবী) শব্দের অর্থ (আরবী) ‘হাজাফাহ্’ বা ‘তুরস’ উভয় শব্দের অর্থই আত্মরক্ষার মূল্যবান ঢাল। (ই. ফা. ৪২৫৭, ই. সে. ৪২৫৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->চোরের হাত কাটা বাব->এই হাদীসে ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারী আবূ বকর ইবন মুহাম্মদ ও আব্দুল্লাহ ইবন আবূ বকর (রহঃ)-এর বর্ণনাগত পার্থক্য হাঃ-৪৯৪১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ হাফজা (শুধু চামড়ার ধাল) বা তুরস (কাঠ ও চামড়াযোগে গঠিত ঢাল)-এর মত মূল্যের বস্তুতে চোরের হাত কাটা যাবে না। এর প্রত্যেকটিই মূল্যবান বস্তু।