‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যখনই দু’টি জিনিসের একটি গ্রহণের স্বাধীনতা দেয়া হত, তখন তিনি সহজটিই গ্রহণ করতেন যদি তা গুনাহ না হত। গুনাহ হতে তিনি অনেক দূরে অবস্থান করতেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। তবে আল্লাহ্র সীমারেখা লঙ্ঘন করা হলে আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করার জন্য প্রতিশোধ নিতেন।
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যখন কোন দু’টি কাজের মধ্যে এখতিয়ার দেয়া হতো, তখন তিনি দু’টির মধ্যে অপেক্ষাকৃত সহজটি গ্রহন করতেন যদি তা গুনাহ্র কাজ না হত। আর যদি তা গুনাহের কাজ হতো, তা হলে তিনি তাত্থেকে সবার চেয়ে দূরে সরে থাকতেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিগত ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহন করতেন না। অবশ্য কেউ আল্লাহ্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে, তিনি আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য তার প্রতিশোধ নিতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৩)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দু’টো বিষয়ের কোন একটি গ্রহণের স্বাধীনতা দেয়া হত তখন তিনি সহজটি সাদরে গ্রহণ করতেন, যদি না তা দোষের হত। আর যদি তা দূষণীয় হতো তবে তা হতে তিনি সবার চেয়ে দূরে থাকতেন। নিজের জন্য কোন দিন প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না, তবে আল্লাহ্র মর্যাদা হানি হলে (প্রতিশোধ নিতেন)। (ই.ফা. ৫৮৩৮, ই.সে.৫৮৭৩)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যখনে রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে দু’টি কাজের যে কোন একটি গ্রহনের স্বাধীনতা দেয়া হতো তখন তিনি দু’টির মধ্যে সহজতরটি গ্রহন করতেন, যদি না তা পাপ কাজ হতো। আর যদি তা পাপ কাজ হতো তবে তিনি তা হতে অন্যদের তুলনায় সবচেয়ে বেশি দুরে থাকতেন। রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ব্যক্তিগত ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ নেন নি। কিন্তু আল্লাহ প্রদত্ত সীমারেখা বা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তিনি আল্লাহর জন্য অবশ্যই তার প্রতিশোধ নিতেন।