আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন, তখন তিনি বললেন, আবূ বক্রকে বল, তিনি যেন লোকদের সালাত আদায় করিয়ে দেন। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আবূ বকর (রাঃ) তো এ রকম লোক। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ বললেন, তখন ‘আয়িশা (রাঃ) ও ঐরূপই বললেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আয়িশাহ! নিশ্চয় তোমরা ইউসুফ (‘আঃ)-এর ঘটনার নিন্দাকারী নারীদের মত হয়ে গেছ। অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় ইমামত করলেন। বর্ণনাকারী হুসাইন (রহঃ) যায়িদা (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, এখানে ----- এর স্থলে ------ আছে অর্থাৎ তিনি একজন কোমল হৃদয়ের লোক।
আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন এবং তা দিন দিন বাড়তে লাগল। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ) -কে লোকদের সলাতের ইমামতি করতে বলো। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসুল! আবূ বাকর (রাঃ) নরম হৃদয়ের মানুষ। আপনার জায়গায় দাঁড়িয়ে লোকেদের সলাত পড়ানোর শক্তি তার নেই। তিনি বললেন আবূ বাক্রকে নির্দেশ দাও, সে যেন লোকেদের নিয়ে সলাত আদায় করে নেয়। তোমরা তো ইউসুফের ঘটনা সংক্রান্ত মহিলাদের মতই। রাবী বলেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবিত থাকাবস্থায় তাদের সলাতে ইমামতি করলেন। (ই.ফা. ৮৩০, ই.সে. ৮৪৩)