সহিহ বুখারী অঃ->আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) বাব->মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ আর আমি দাঊদকে দান করলাম সুলাইমান। সে ছিল অতি উত্তম বান্দা। তিনি তো ছিলেন অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী। (সোয়াদ ৩০) হাঃ-৩৪২৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমার ও অন্যান্য মানুষের দৃষ্টান্ত হলো এমন যেমন কোন এক ব্যক্তি আগুন জ্বালাল এবং তাতে পতঙ্গ এবং পোকামাকড় ঝাঁকে ঝাঁকে পড়তে লাগল।


সহিহ বুখারী অঃ->আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) বাব->মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ আর আমি দাঊদকে দান করলাম সুলাইমান। সে ছিল অতি উত্তম বান্দা। তিনি তো ছিলেন অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী। (সোয়াদ ৩০) হাঃ-৩৪২৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দু’জন মহিলা ছিল। তাদের সাথে দু’টি সন্তানও ছিল। হঠাৎ একটি বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলে নিয়ে গেল। সঙ্গের একজন মহিলা বললো, “তোমার ছেলেটিই বাঘে নিয়ে গেছে।” অন্য মহিলাটি বললো, “না, বাঘে তোমার ছেলেটি নিয়ে গেছে।” অতঃপর উভয় মহিলাই দাঊদ (‘আঃ)-এর নিকট এ বিরোধ মীমাংসার জন্য বিচারপ্রার্থী হল। তখন তিনি ছেলেটির বিষয়ে বয়স্কা মহিলাটির পক্ষে রায় দিলেন। অতঃপর তারা উভয়ে বেরিয়ে দাঊদ (‘আঃ)-এর পুত্র সুলায়মান (‘আঃ)-এর নিকট দিয়ে যেতে লাগল এবং তারা দু’জনে তাঁকে ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি লোকদেরকে বললেন, তোমরা আমার নিকট একখানা ছোরা নিয়ে আস। আমি ছেলেটিকে দু’ টুক্‌রা করে তাদের দু’জনের মধ্যে ভাগ করে দেই। একথা শুনে অল্পবয়স্কা মহিলাটি বলে উঠলো, তা করবেন না, আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহম করুন। ছেলেটি তারই। তখন তিনি ছেলেটি সম্পর্কে অল্পবয়স্কা মহিলাটির অনুকূলে রায় দিলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! ছোরা অর্থে لسّيكينا শব্দটি আমি ঐদিনই শুনেছি। তা না হলে আমরাতো ছোরাকে المُديَتُ ই বলতাম।


সহিহ মুসলিম অঃ->বিচার বিধান বাব->মুজতাহিদগণের মতবিরোধ সম্পর্কে হাঃ-৪৩৮৭

আবূ হুরাইরা্‌হ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একদা দু’জন মহিলা তাদের নিজ নিজ ছেলে নিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় এক বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলেকে নিয়ে যায়। তখন তাদের একজন তার সঙ্গীনীকে বলল, তোমার ছেলেকে বাঘে নিয়েছে। আর দ্বিতীয়া জন বলল, বরং তোমার ছেলেকে বাঘে নিয়েছে। এ নিয়ে উভয়ে দাউদ (আঃ) –এর নিকট নালিশ নিয়ে গেল। তিনি বয়সে বড় মহিলার পক্ষে সন্তানের রায় দিলেন। তখন উভয়ে বেরিয়ে সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ) –এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে সে ঘটনা বলল। তিনি বললেন, তোমরা আমার কাছে একটি ছুরি নিয়ে এসো, আমি সন্তানটিকে কেটে উভয়ের মাঝে ভাগ করে দেবো। তখন বয়সে ছোট মহিলাটি বলল, না, আল্লাহ্‌ আপনার প্রতি রহম করুন। (আমি মেনে নিলাম)। ছেলেটি ঐ মহিলারই। তখন তিনি ছোট মহিলার পক্ষে ছেলে প্রদানের রায় দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি ইতোপূর্বে (আরবী) ‘ছুরি’ শব্দটি সেদিন ব্যতীত আর কখনও শুনিনি। আমরা তাকে (আরবী) বলতাম। (ই. ফা. ৪৩৪৬, ই. সে. ৪৩৪৬)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিচারকের নীতিমালা বাব->বিচারক কর্তৃক নিজ জ্ঞান অনুযায়ী ফায়সালা দান হাঃ-৫৪০২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুই নারী এক স্থানে তাদের নিজ নিজ সন্তান নিয়ে ছিল। এমন সময় একটি নেকড়ে বাঘ এসে তাদের একজনের সন্তান নিয়ে গেল। তাদের একজন তার সঙ্গিনীকে বললোঃ তোমার ছেলে নিয়ে গেছে। অন্যজন বললঃ তোমার সন্তান নিয়েছে। তারা উভয়ে এ ব্যাপারে দাউদ (আ) -এর নিকট মীমাংসা প্রার্থনা করলো। দাউদ (আ) তাদের মধ্যে বয়সে যে বড় ছিল, তাকে সন্তান দিয়ে দিলেন। এরপর তারা উভয়ে হযরত সুলায়মান ইব্‌ন দাউদ (আ) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি বর্ণনা করলে, তিনি বললেনঃ আমার নিকট একখানা ছুরি নিয়ে এস, আমি এই বাচ্চাকে তাদের উভয়ের মধ্যে দুই টুকরা করে দিচ্ছি। একথা শুনে যে নারী বয়সে ছোট ছিল, সে বললোঃ এমন কাজ করবেন না; আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহম করুন, এ বাচ্চা তারই। তখন তিনি ঐ বাচ্চা ছোট নারীকে দিলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ আমি এই দিনের পূর্বে ছুরিকে বলতে শুনিনি আমরা একে মুদয়া বলতাম।