বারাআ (ইবনু আযিব) (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সর্বশেষ যে সূরাটি পূর্ণরূপে অবতীর্ণ হয়েছিল তা ছিল সূরাহ বারাআত। আর সর্বশেষ যে আয়াতটি সমাপ্তিরূপে অবতীর্ণ হয়েছিল সেটি ছিল সূরা আন-নিসার এ আয়াতঃ অর্থাৎ লোকেরা আপনার কাছে সমাধান জানতে চায়, বলুন পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদেরকে আল্লাহ সমাধান জানাচ্ছেন- (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৭৬) [৪৬০৫, ৪৬৫৪,৬৭৪৪] (আ.প্র. ৪০১৮, ই.ফা. ৪০২২)
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সর্বশেষে যে আয়াত অবতীর্ণ হয়, তা হল يَسْتَفْتُونَكَ قُلْ اللهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِলোকেরা আপনার কাছে বিধান জানতে চায়। আপনি বলুন ঃ আল্লাহ্ তোমাদের বিধান দিচ্ছেন “কালালা” (পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি) সম্বন্ধে (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৭৬)। এবং সর্বশেষে যে সূরাটি অবতীর্ণ হয়, তা হল সূরায়ে বারাআত। [৪৩৬৪] (আ.প্র. ৪২৯৩, ই.ফা. ৪২৯৫)
বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরআনের সর্বশেষ যে আয়াত নাযিল হয় তা হলোঃ (আরবী) তারা আপনার কাছে জানতে চায়, আপনি বলুন, আল্লাহ তা’আলা কালালার ব্যাপারে সমাধান দিচ্ছেন। (ই.ফা. ৪০০৭, ই.সে. ৪০০৬)
আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘কালালাহ’ সম্পর্কিত আয়াত সবশেষে অবতীর্ণ হয়ঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন…” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৭৬)।