আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ! তুমি নেতৃত্ব চেয়ো না। কারণ, চাওয়ার পর যদি নেতৃত্ব পাও তবে এর দিকে তোমাকে সোপর্দ করে দেয়া হবে। আর যদি না চেয়ে তা পাও তবে তোমাকে এ বিষয়ে সাহায্য করা হবে। কোন কিছুর ব্যাপারে যদি শপথ কর আর তা ছাড়া অন্য কিছুর ভিতর কল্যাণ দেখতে পাও, তবে নিজ শপথের কাফ্ফারা আদায় করে তাত্থেকে উত্তমটি গ্রহণ কর।[৬৭২২, ৭১৪৬, ৭১৪৭; মুসলিম ২৭/৩, হাঃ ১৬৫২, আহমাদ ২০৬৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৬৯)
আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ! তুমি নেতৃত্ব চেও না। কারণ চাওয়ার পর যদি তোমাকে তা দেয়া হয়, তবে তার দায়িত্ব তোমার উপরই বর্তাবে। আর যদি চাওয়া ছাড়াই তা তোমাকে দেয়া হয় তবে এ ক্ষেত্রে তোমাকে সাহায্য করা হবে। আর কোন বিষয়ে কসম করার পর, তার বিপরীত দিকটিকে যদি এর চেয়ে কল্যাণকর মনে কর, তাহলে কসমের কাফ্ফারা আদায় কর এবং কল্যাণকর কাজটি বাস্তবায়িত করো। (১৭০)(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬১)
আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ! নেতৃত্ব চেয়ে নিও না। কেননা, যদি চাওয়ার পর তোমাকে তা দেয়া হয়, তাহলে তার সকল দায়িত্বভার তোমার উপরই অর্পিত হবে। আর যদি না চাওয়া সত্ত্বেও তোমাকে তা দেয়া হয়, তাহলে এ ক্ষেত্রে (আল্লাহ্র পক্ষ থেকে) সহযোগিতা করা হবে। আর কোন বিষয়ে কসম করার পর তার বিপরীত দিকটিকে যদি উত্তম বলে মনে কর, তাহলে উত্তম কাজটিই করবে আর তোমার কসমের কাফ্ফারা আদায় করে দিবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬২)
আবদুর রহমান ইবনু সাঃমুরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ! তুমি শাসন কর্তৃত্ব চেয়ো না। কারণ, যদি তোমাকে চাওয়ার কারণে তা দেয়া হয়, তবে তার দায়িত্ব তোমার উপর পড়বে। আর চাওয়া ব্যতীত তোমাকে তা দেয়া হলে এ ব্যাপারে তোমাকে সাহায্য করা হবে। আর যখন তুমি কোন কাজের উপর কসম কর, তারপর তার বিপরীত কাজকে তুমি উত্তম মনে কর, তবে তুমি তোমার কসমের কাফ্ফারাহ্ আদায় কর এবং যা উত্তম তা করে নাও। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৭০৫] আবূ আহমাদ আল-জালূদী ..... জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১৩৫, ই.সে. ৪১৩৪)
আবদুর রাহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আবদুর রাহমান! শাসকের পদ চেয়ে নিও না। কেননা এ পদ চাওয়ার কারণে তোমার আয়ত্বে এলে তোমাকে এর যিম্মায় (সহায়হীনভাবে) ছেড়ে দেয়া হবে। এ পদটি যদি না চাইতেই তোমার আয়ত্বে আসে তবে তুমি (দায়িত্বভার বহনে) সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। তুমি কোন কাজের মানত করার পরে তার বিপরীত করার মধ্যে কল্যাণ দেখতে পেলে কল্যাণকর কাজটিই করবে এবং শপথ ভঙ্গের কাফফারা প্রদান করবে। সহীহ্, ইরওয়া (৭/১৬৬), (৮/২২৮,২৬০১) সহীহ্ আবূ দাউদ (২৬০১), নাসা-ঈ
আবদুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি কোন কসম করবে, আর অন্য কোন বস্তু তা থেকে উত্তম দেখতে পাবে, তখন তুমি তোমার কসমের কাফ্ফারা দিয়ে দিবে, আর যা উত্তম তা করবে।
আবদুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যখন কোন শপথ করার পর অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পাবে, তখন উত্তমটা করবে এবং নিজ শপথের কাফ্ফারা দিয়ে দিবে।
আবদুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যখন কোন কিছুর শপথ করার পর অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পাবে, তখন ঐ উত্তমটা করবে এবং তোমার শপথের কাফ্ফারা আদায় করবে।
কায়স ইব্ন আবূ গারাযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি বলেন : আমরা বাকী’ নামক স্থানে ক্রয়-বিক্রয় করতাম। আমাদেরকে বলা হতো দালাল। এক সময় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট এসে বললেন : হে ব্যবসায়ীর দল ! তিনি আমাদেরকে আমাদের পূর্ব নাম অপেক্ষা উত্তম নামে ডাকলেন। তিনি বললেন : এই ক্রয়-বিক্রয়ে শপথ ও মিথ্যা এসে যায়। অতএব তোমরা তাতে সাদকা মিলিয়ে নেবে।
আব্দুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা পদের আকাঙ্ক্ষা করবে না। কেননা, যদি তুমি তা চেয়ে নাও, তবে তুমিই এর জন্য দায়ী থাকবে; আর যদি তা তোমাকে আকাঙ্ক্ষা ব্যতীত দেওয়া হয়, তবে আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাকে সাহায্য করা হবে।