আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ মানত আদম সন্তানকে এমন কিছু এনে দিতে পারে না যা তাকদীরে নির্ধারিত নেই অথচ সে যে মানতটি করে তাও আমি তাকদীরে নির্ধারিত করে দিয়েছি যাতে এর মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে (মাল) বের করে নেই। [৬৬৯৪; মুসলিম ২৬/২, হাঃ ১৬৪০, আহমাদ ৯৩৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৬)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (আল্লাহ্ বলেন) মানত আদম সন্তানের তাক্বদীরকে এমন কিছু দিতে পারে না – যা আমি তার জন্য নির্ধারণ করিনি। বরং আমি তার তাক্বদীরে যা নির্ধারণ করেছি কেবল তাই মানত তাকে এনে দেয়। তা কৃপণের ধন থেকে কিছু পরিমাণ বের করে আনে এবং তার নিকট তা নিয়ে আসে যা আগে তার কাছে আসেনি। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১২৩)।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মান্নত আদম-সন্তানের জন্য তার তাকদীরের নির্ধারিত বস্তুর অতিরিক্ত কিছু বয়ে আনে না, বরং তার জন্য নির্ধারিত তাকদীরই তার উপর বিজয়ী হয়। অতএব এর দ্বারা বখীলের কিছু আর্থিক খরচ হয় মাত্র। ফলে ইতোপূর্বে তার জন্য যা সহজ ছিলো না তা তার জন্য সহজ হয়ে গেলো। আল্লাহ্ তা’আলা অবশ্যি বলেছেন, তুমি খরচ করলে আমিও তোমার জন্য খরচ করবো। [২১২৩]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : মান্নত লোকের জন্য এমন কিছু আনতে পারে না, যা তার তাক্দীরে নেই। তা এমন বিষয়, যা দ্বারা কৃপণের হাত হতে কিছু মাল বের করা হয় মাত্র।