সহিহ বুখারী অঃ->ক্রীতদাস আযাদ করা বাব->ভুলক্রমে অথবা অনিচ্ছায় ক্রীতদাস আযাদ করা ও স্ত্রীকে তালাক দেয়া ইত্যাদি। আল্লাহ তা‘আলার সন্তোষ ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশে গোলাম আযাদ করা যায় না। হাঃ-২৫২৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (আমার বরকতে) আল্লাহ আমার উম্মতের অন্তরে উদিত ওয়াসওয়াসা (পাপের ভাব ও চেতনা) মাফ করে দিয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তা কাজে পরিণত করে অথবা মুখে বলে।


সহিহ বুখারী অঃ->তালাক বাব->বাধ্য হয়ে, মাতাল ও পাগল অবস্থায় ত্বলাক্ব দেয়া আর এ দু‘য়ের বিধান সম্বন্ধে। ভূলবশতঃ ত্বলাক্ব দেয়া এবং শির্‌ক ইত্যাদি সম্বন্ধে। (এসব নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল)। হাঃ-৫২৬৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ আমার উম্মতের হৃদয়ে যে খেয়াল জাগ্রত হয় তা ক্ষমা করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না সে তা কার্যে পরিণত করে বা মুখে উচ্চারণ করে। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেনঃ মনে মনে ত্বলাক্ব দিলে তাতে কিছুই (ত্বলাক্ব) হবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৭৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->অন্তর ও নাফ্‌সের কুচিন্তাসমূহের গুনাহ ক্ষমা করা হবে যদি তা অন্তর ও নাফ্‌সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে হাঃ-২৩০

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কথা বা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য তাদের মনে কল্পনাগুলোকে মাফ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৩১; ই.সে. ২৩৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->অন্তর ও নাফ্‌সের কুচিন্তাসমূহের গুনাহ ক্ষমা করা হবে যদি তা অন্তর ও নাফ্‌সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে হাঃ-২৩১

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য কথা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত তাদের মনের কল্পনাগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন। যুহায়র ইবনু হার্‌ব, ইসহাক্‌ ইবনু মানসূর (রহঃ) … কাতাদাহ (রহঃ)-এর সূত্রেও হাদীসটি অনুরূপভাবে বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ২৩২, ২৩৩; ই.সে. ২৪০-২৪১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->তালাক বাব->অন্তরে তালাকের কথা জাগা হাঃ-২২০৯

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার উম্মাতের মনে যা উদয় হয় তা যতক্ষণ না সে মুখে বলে অথবা কার্যে পরিণত করে ততক্ষণ তা উপেক্ষা করেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->তালাক বাব->যে ব্যক্তি মনে মনে তালাক দিয়ে মুখে সে সম্পর্কে কিছু বলেনি। হাঃ-২০৪০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ আমার উম্মাতের মনে মনে বলা কথা উপেক্ষা (ক্ষমা) করেছেন, যাবত না সে তদুনুযায়ী কাজ করে অথবা মুখে উচ্চারণ করে।[২০৪০]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->তালাক বাব->বল প্রয়োগে বাধ্য হয়ে অথবা ভুলবশত প্রদত্ত তালাক। হাঃ-২০৪৪

. আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চই আল্লাহ আমার উম্মাতের মনের মন্দ কল্পনা যতক্ষন না সে তা কার্যকর করে অথবা মুখে উচ্চারণ করে এবং তার উপর বলপ্রয়োগে কৃত কর্ম উপেক্ষা করেছেন। [২০৪৪]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তালাক ও লিআন বাব->ন্ত্রীকে মনে মনে তালাক দেয়ার ধারণা করলে হাঃ-১১৮৩

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে পর্যন্ত আমার উন্মাত কোন মনের কথা প্রকাশ না করে অথবা সে অনুযায়ী কাজ না করে, সে পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা তা উপেক্ষা করেন (ক্ষমা করেন)। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৪০),বুখারী, মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->মনে মনে তালাক দেয়া হাঃ-৩৪৩৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের মন যে কথা বলে, আল্লাহ তা’আলা তা সবই ক্ষমা করে দেবেন, যতক্ষন না সে মুখে বলে অথবা কাজে পরিণত করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->মনে মনে তালাক দেয়া হাঃ-৩৪৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের মনে যা উদয় হয় বা খটকা লাগে এবং তাদের মন যে কথা বলে আল্লাহ্‌ তা’আলা তা ক্ষমা করে দেবেন, যতক্ষন না সে তা করে অথবা তা বলে।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->মনে মনে তালাক দেয়া হাঃ-৩৪৩৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেনঃ মন যা বলে আল্লাহ্‌ তা’আলা তা ক্ষমা করে দেবেন আমার উম্মতের যতক্ষণ না সে তা বলে অথবা করে।