বারা’আ’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্যে একখানা রেশমী বস্ত্র উপহার পাঠানো হয়। আমরা তা স্পর্শ করলাম এবং বিস্ময় প্রকাশ করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এতে বিস্ময় প্রকাশ করছো? আমরা বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ জান্নাতে সা’দ ইবনু মু’আযের রুমাল এর চেয়ে উৎকৃষ্ট হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৬)
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমার উম্মাতের মধ্যে আমার উম্মাতের প্রতি সর্বাপেক্ষা দয়ার্দ্র ব্যক্তি আবু বাক্র। তাদের মধ্যে আল্লাহ্র দ্বীনের ব্যাপারে সর্বাপেক্ষা কঠোর মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি উমার। তাদের মধ্যে সর্বাধিক সত্যিকার লজ্জাশীল ব্যক্তি উসমান। তাদের মধ্যে সর্বাধিক বিচক্ষণ বিচারক আলী বিন আবু তালিব। তাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাবের সর্বোত্তম পাঠকারী উবাই বিন কা’ব। তাদের মধ্যে হালাল ও হারাম সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞাত ব্যক্তি মু’আয বিন জাবাল। তাদের মধ্যে ফারায়িয (দায়ভাগ) সম্পর্কিত বিষয়ে সর্বাধিক জ্ঞানী যায়দ বিন সাবিত। শোন! প্রত্যেক উম্মাতের একজন আমীন (বিশ্বস্ত ব্যক্তি) থাকে। আর এ উম্মাতের আমীন হলো আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ। [১৫২]