আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সুলায়মান ইব্নু দাউদ (‘আঃ) বলেছিলেন, আজ রাতে আমি একশ’ অথবা বলেছেন নিরানব্বই জন স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত হব। তাদের প্রত্যেকেই একজন বীর মুজাহিদ প্রসব করবে। তার একজন সাথী বললেন, বলুন ইন শা আল্লাহ্! কিন্তু তিনি ইন শা আল্লাহ্ বলেননি। ফলে একজন স্ত্রী ব্যতীত কেউই গর্ভবতী হলেন না। তিনিও একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান প্রসব করলেন। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রাণ, যদি তিনি ইন শা আল্লাহ্ বলতেন, তবে সকলের সন্তান হত এবং তারা সকলেই ঘোড় সওয়ার হয়ে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করত।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে নব্বইজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছেই গমন করবো। এতে তারা এমন যোগ্য সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী তাঁকে বললেন, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেননি। এরপর তিনি সকল স্ত্রীর সঙ্গেই সহবাস করলেন। কিন্তু মাত্র একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না। তিনি যে সন্তানটি প্রসব করলেন- তাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ। সেই মহান সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবন, যদি তিনি তখন ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তারা সকলেই (স্ত্রীদের জন্ম দেয়া সন্তান) অশ্বারোহী সৈনিক হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতো। (ই.ফা. ৪১৪৩, ই.সে. ৪১৪২)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সুলায়মান ইব্ন দাঊদ (আ) বললেনঃ অবশ্যই আমি আজ আমার নব্বইজন স্ত্রীর নিকট গমন করবো তাদের প্রত্যেকেই এক-একজন মুজাহিদ প্রসব করবে, যারা আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করবে। তার সাথী তার জন্য ইন্শাআল্লাহ্ বললেন কিন্তু তিনি ইনশাআল্লাহ বললেন না। পরে তিনি তাদের নিকট গমন করলেন কিন্তু তাদের একজন স্ত্রী ব্যতীত কেউ-ই গর্ভধারণ করলেন না; আর তাও এমন গর্ভ, যাতে অর্ধ বাচ্চা জন্ম নিল। আল্লাহ্র শপথ ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, যদি তিনি ইন্শাআল্লাহ্ বলতেন, তবে তারা সকলেই এমন সন্তান প্রসব করতেন, যারা আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করতো।