সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->আসলাম, গিফার, মুযায়না, জুহায়না ও আশজা’ গোত্রের উল্লেখ। হাঃ-৩৫১৫

আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বলত জুহায়নাহ, মুযায়নাহ, আসলাম ও গিফার গোত্র যদি আল্লাহর নিকট বানূ তামীম, বানূ আসাদ, বানূ গাতফান ও বানূ ‘আমের হতে উত্তম বিবেচিত হয় তবে কেমন হবে? তখন এক সহাবী বললেন, তবে তারা বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা বানূ তামীম, বানূ আসাদ, বানূ ‘আবদুল্লাহ ইব্‌ন গাত্ফান এবং বানূ ‘আমের ইব্‌ন সা‘সা‘আহ হতে উত্তম।


সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->আসলাম, গিফার, মুযায়না, জুহায়না ও আশজা’ গোত্রের উল্লেখ। হাঃ-৩৫১৬

আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আকরা‘ ইব্‌ন হাবিস নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট ‘আরয করলেন, আসলাম গোত্রের সুররাক হাজীজ, গিফার ও মুযায়না গোত্রদ্বয় আপনার নিকট বায়‘আত করেছে এবং (রাবী বলেন) আমার ধারণা জুহায়না গোত্রও। এ ব্যাপারে ইব্‌ন আবূ ইয়াকুব সন্দেহ পোষণ করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি কি জান, আসলাম, গিফার ও মুযায়নাহ গোত্রত্রয়, (রাবী বলেন) আমার মনে হয় তিনি জুহায়নাহ গোত্রের কথাও উল্লেখ করেছেন যে বনূ তামীম, বনূ ‘আমির, আসাদ ও গাতফান (গোত্রগুলো) যারা ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত হয়েছে, তাদের তুলনায় পূর্বোক্ত গোত্রগুলো উত্তম। রাবী বলেন, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, পূর্বোক্তগুলো শেষোক্ত গোত্রগুলোর তুলনায় অবশ্যই অতি উত্তম। (৩৫১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৩) ------------- ৩৫১৬ মীম. আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী বলেন, আসলাম, গিফার এবং মুযাইনাহ ও জুহানাহ গোত্রের কিছু অংশ অথবা জুহানাহ্ও কিছু অংশ মুযায়নাহ্ও কিছু অংশ আল্লাহর নিকট অথবা বলেছেন কিয়ামাতের দিন আসাদ, তামীম, হাওয়াযিন ও গাতাফান গোত্র অপেক্ষা উত্তম বলে বিবেচিত হবে। (আ.প্র. ৩২৫৪, ই.ফা. ৩২৬৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশজা, মুযাইনাহ, তামীম, দাওস ও তাইয়ী গোত্রের ফযিলত হাঃ-৬৩৩৮

আবূ বাকর (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আকরা ইবনু হাবিস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেন, আপনার হাতে বাইআত কবূল করেছেন আসলাম, গিফার ও মুযাইনার হাজীদের মালপত্র লুটপাটকারী, আর আমি মনে করি জুহাইনাহও এর অন্তর্ভূক্ত। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি তাই মনে করো? যদি আসলাম, গিফার, মুযাইনাহ এবং আমি মনে করি জুহাইনাহ ও বানূ তামীম, বানূ আমির, আসাদ ও গাতফানের তুলনায় উত্তম। আর তাহলে এরা ক্ষতির মুখোমুখি হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তখন তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে সত্তার শপথ! যাঁর নিয়ন্ত্রণে আমার জীবন, অবশ্যই এরা তাদের তুলনায় উত্তম। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবার হাদীসে “মুহাম্মাদ সন্দেহে নিপতিত” কথাটির বর্ণনা নেই। (ই.ফা. ৬২১৫, ই.সে. ৬২৬২)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশজা, মুযাইনাহ, তামীম, দাওস ও তাইয়ী গোত্রের ফযিলত হাঃ-৬৩৪২

আবূ বাকর (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা কি জান যে, জুহাইনাহ, আসলাম, গিফার গোত্র বাণূ তামীম, বানূ আবদুল্লাহ ইবনু গাতফান ও আমির ইবনু সা’সা’আহ-এর তুলনায় উত্তম? তখন তিনি তাঁর কথাগুলো উচ্চ:স্বরে বলেছিলেন। তখন তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তারা ধ্বংস হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তখন তিনি বললেন, অবশ্যই এরা তাদের তুলনায় উত্তম। কিন্তু আবূ কুরায়ব (রহ)-এর বর্ণিত হাদীসে “তোমরা কি জান যে, জুহাইনাহ, মুযাইনাহ, আসলাম ও গিফার”-উক্তিটির বর্ণনা আছে। (ই.ফা. ৬২১৯, ই.সে. ৬২৬৬)