আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক একশ’বার এ দু’আ’টি পড়বেঃ আল্লাহ ব্যতিত কোন ইলাহা নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। তাহলে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব তার হবে। তার জন্য একশটি সওয়াব লেখা হবে এবং আর একশটি গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে। ঐদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান হতে মাহফুজ থাকবে। কোন লোক তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে ঐ দু’আটির ‘আমল বেশি পরিমাণ করবে।
ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি জি‘রানাহ্ নামক স্থানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলো। লোকটি ‘উমরার জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় ছিল। তার দাড়ি ও মাথার চুল হলুদ রং-এ রঞ্জিত ছিল এবং তার পরনে ছিল একটি জুব্বাহ। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ‘উমরাহ্ করার জন্য ইহরাম বেঁধেছি এবং আমি কী অবস্থায় আছি তা আপনি দেখছেন। তিনি বললেন, তুমি জুব্বাহ্ খুলে ফেল এবং হলূদ রং ধুয়ে ফেল। অতঃপর হাজ্জে যে সব অনুষ্ঠান পালন কর, ‘উমরাতেও তাই কর। (ই.ফা ২৬৬৮, ই.সে. ২৬৬৭)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দিনে একশত বার বলে, “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তাঁর কোন শরীক নাই, রাজত্ব তাঁরই ও সমস্ত প্রশংসা তাঁর, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান”, তার জন্য দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব লেখা হয়, একশত নেকী লেখা হয় এবং তার একশত গুনাহ বিলোপ করা হয়, তার এ শব্দগুলো সারা দিন রাত পর্যন্ত তার জন্য শয়তান থেকে প্রতিবন্ধক হয় এবং তাকে যা দান করা হয় তার চেয়ে উত্তম কিছু নিয়ে অপর কেউ হাজির হতে পারবে না। তবে যে ব্যক্তি এ বাক্য তার চেয়ে অধিক সংখ্যায় পরে তার কথা স্বতন্ত্র। [৩১৩০]
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক প্রত্যহ একশত বার বলেঃ “আল্লাহ তাআলা ছাড়া কোন মা’বুদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব একমাত্র তারই, সকল প্রশংসা তাঁর জন্য। তিনিই প্রান দান করেন এবং মৃত্যু দেন। সকল কিছুর উপর তিনি সর্বশক্তিমান”, সে দশটি গোলাম মুক্ত করার সমপরিমান সওয়াব পায়, একশত সাওয়াব তাঁর আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয় এবং তার (আমলনামা হতে) একশত গুনাহ মুছে ফেলা হয়। ঐ দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে শয়তান হতে রক্ষা করা হয় এবং তার চাইতে উত্তম বস্তু নিয়ে আর কেও আসবে না , তবে যে লোক উক্ত দোয়া তার তুলনায় বেশি সংখ্যায় পাঠ করে তার কথা আলাদা। “প্রান দান করেন এবং মৃত্যু দেন” এই অংশ ব্যতিত হাদীসটি সাহীহঃ আল – কালিমুত তাইয়্যিব তাহকীক সানি পৃষ্ঠা (২৬) বুখারি ও মুসলিম ঐ অতিরিক্ত অংশ ব্যতীত।