আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার সালাতের ইক্বামাত দেয়া হলে সবাই দাঁড়িয়ে কাতার সোজা করছিলেন, তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সামনে বেরিয়ে আসলেন। তিনি মুসাল্লায় দাঁড়ালে তাঁর মনে হলো যে, তিনি জানাবাত অবস্থায় আছেন। তখন তিনি আমাদের বললেনঃ স্ব স্ব স্থানে দাঁড়িয়ে থাক। তিনি ফিরে গিয়ে গোসল করে আবার আমাদের সামনে আসলেন এবং তাঁর মাথা হতে পানি ঝরছিল। তিনি তাকবীর (তাহ্রীমাহ) বাঁধলেন, আর আমরাও তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৭২) ‘আবদুল আ’লা (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে এবং আওযা’ঈ (রহঃ)-ও যুহরী (রহঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (৬৩৯, ৬৪০; মুসলিম ৫/২৯, হাঃ ৬০৫, আহমাদ ১০৭২৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের কক্ষ হতে সালাতের জন্য তাশরীফ নিয়ে আসলেন। এদিকে সালাতের ইক্বামাত দেয়া হয়েছে এবং কাতার সোজা করে নেয়া হয়েছে, এমন কি তিনি মুসাল্লায় দাঁড়ালেন, আমরা তাক্বীরের অপেক্ষা করছি, এমন সময় তিনি ফিরে গেলেন এবং বলে গেলেন তোমরা নিজ নিজ স্থলে অপেক্ষা কর। আমরা নিজ নিজ অবস্থায় অপেক্ষা করতে থাকলাম যে পর্যন্ত না তিনি আমাদের কাছে বেরিয়ে আসলেন। তাঁর মাথা হতে ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়ছিল, তিনি গোসল করেছিলেন। (২৭৫) (আ.প্র. ৬০৩, ই.ফা. ৬১১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার সলাতের জন্য ইক্বামত দেয়া হলো এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে পৌঁছার আগেই আমরা দাঁডিয়ে কাতার সোজা করে নিলাম। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে সলাতের স্থানে দাঁড়ালেন। তখনও তাকবীর বলা হয়নি। ইতোমধ্যে তাঁর কিছু স্মরণ হলে তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা নিজ-নিজ স্থানে অপেক্ষা করতে থাকো। এ কথা বলে তিনি ফিরে গেলেন। আমরা তাঁর পুনরায় না আসা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম। ইতোমধ্যে তিনি গোসল করে আসলেন। তখনও তাঁর মাথা থেকে পানি ফোঁটা ফোঁটা ঝড়ে পড়ছিল। এবার তিনি তাকবীরে তাহরীমা বলে আমাদের সলাত আদায় করালেন। (ই.ফা. ১২৪২, ই.সে. ১২৫৫)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার সলাতের জন্য ইক্বামত দেয়া হলে লোকজন কাতার ঠিক করে দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জায়গায় দাঁড়িয়ে ইশারা করে তাদের সবাইকে বললেনঃ তোমরা প্রত্যেকে নিজের জায়গায় অপেক্ষা করো। এরপরে তিনি গিয়ে গোসল করে আসলেন। তখন তার মাথার চুল পানি চুইয়ে পড়ছিল। এবার তিনি সবাইকে নিয়ে সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১২৪৩, ই.সে. ১২৫৬)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সলাতের জন্য ইক্বামাত দেয়া হলে লোকজন কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালো। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে তাঁর নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়ালেন। এমন সময় তাঁর স্মরণ হলো, তিনি গোসল করেননি। তিনি লোকদের বললেন, ‘তোমরা যথাস্থানে অবস্থান কর’। এ বলে তিনি ঘরে গিয়ে গোসল করে আমাদের নিকট ফিরে আসলেন, তখন তাঁর মাথা থেকে পানি ঝরে পড়ছিল। আমরা তখনও কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এটা ইবনু হারবের বর্ণনা। ‘আইয়াশের বর্ণনায় আছেঃ তিনি গোসল করে আমাদের নিকট ফিরে আসা পযর্ন্ত আমরা ঐভাবেই দাঁড়িয়ে থেকে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলা হলো, লোক তাদের কাতার ঠিক করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন, যখন তিনি তাঁর মুসাল্লায় দাঁড়ালেন, তখন তাঁর স্মরণ হলো, তিনি গোসল করেন নি। তখন তিনি লোকদের বললেন, তোমরা তোমাদের জায়গায় থাক। তারপর তিনি ঘরে গেলেন। পরে বের হলেন, তখন তাঁর মাথা থেকে পানি বেয়ে পড়ছিল। তিনি গোসল করলেন, তখন আমরা কাতারে ছিলাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালাতের ইকামত বলা হলে আমরা দাঁড়ালাম। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে আসার পূর্বেই কাতার ঠিক করা হলো। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট এসে মুসাল্লায় দাঁড়ালেন। তাকবীর বলার পূর্বে আমাদের দিকে ফিরে বললেন, তোমাদের নিজ নিজ স্থানে স্থির থাক। আমরা তাঁর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রইলাম। তিনি গোসল করে আমাদের নিকট আসলেন তখন তাঁর মাথা থেকে পানি ফোঁটা ফোঁটা করে পড়ছিল। তখন তিনি তাকবীর বললেন এবং সালাত আদায় করলেন।