আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’আ করতেনঃ হে আল্লাহ্! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার ভুল-ত্রুটিজনিত গুনাহ, আমার অজ্ঞতা, আমার বাড়াবাড়ি এবং আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। হে আল্লাহ্! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার হাসি-ঠাট্টামূলক গুনাহ, আমার প্রকৃত গুনাহ, আমার অনিচ্ছাকৃত গুনাহ এবং ইচ্ছাকৃত গুনাহ, এসব গুনাহ যা আমার মধ্যে আছে। [৬৩৯৮; মুসলিম ৪৮/১৮, হাঃ ২৭১৯, আহমাদ ১৯৭৫৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৪৪)
আবূ মূসা আল আশ‘আরী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এ দু‘আর মাধ্যমে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতেন, “আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী খতীআতী ওয়া জাহ্লী ওয়া ইসরা-ফী ফী আম্রী ওয়ামা- আন্তা আ‘লামু বিহি মিন্নী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী জিদ্দী ওয়া হায্লী ওয়া খতায়ী ওয়া ‘আম্দী ওয়া কুল্লু যালিকা ‘ইন্দী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী মা- কদ্দামতু ওয়ামা- আখ্খার্তু ওয়ামা- আস্রার্তু ওয়ামা- আ‘লান্তু ওয়ামা- আন্তা আ‘লামু বিহি মিন্নী আন্তাল্ মুকাদ্দিমু ওয়া আন্তাল মুয়াখ্খিরু ওয়া আন্তা ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্ কদীর” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার পাপ, আমার অজ্ঞতা ও আমার কাজের সীমালঙ্ঘনকে মার্জনা করে দিন। আপনি এ বিষয়ে আমার চেয়ে সর্বাধিক জ্ঞাত। হে আল্লাহ! আমাকে মাফ করে দিন আমার আন্তরিকতাপূর্ণ ও রসিকতামূলক অপরাধ এবং আমার ইচ্ছাকৃত ও ভুলক্রমে সব রকমের অপরাধগুলো (যা আমি করেছি)। হে আল্লাহ! মাফ করে দিন যা আমি আগে করে ফেলেছি এবং যা আমি পরে করব, যা আমি গোপনে করেছি এবং যা প্রকাশ্যে করেছি। আর আপনি আমার চাইতে আমার সম্পর্কে সার্বাধিক জ্ঞাত। আপনিই একমাত্র অগ্রবর্তী এবং আপনিই একমাত্র পরবর্তী। আপনি সব বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।” (ই.ফা. ৬৬৫৩, ই.সে. ৬৭০৬)
হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ সাজদাহ্র মাঝখানে বসে বলতেন “রাব্বীগফির লী রাব্বীগফির লী” (“প্রভু! আমায় ক্ষমা করুন, প্রভু! আমায় ক্ষমা করুন”) [৮৯৫]
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(একরাতে) আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর বিছানায় না পেয়ে তাঁকে হাতড়িয়ে তালাশ করতে লাগলাম। আমি মনে করেছিলাম তিনি তাঁর কোন দাসীর নিকট গিয়ে থাকবেন। এমতাবস্থায় আমার হাত তাঁর উপর পতিত হলো, তখন তিনি সিজদায় থেকে বলেছিলেন , (এইখানে একটি দোয়া আছে)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে না পেয়ে মনে করলাম তিনি হয়তো তাঁর কোন দাসীর নিকট গিয়ে থাকবেন। তাঁকে খুঁজে দেখলাম, তিনি সিজদারত অবস্থায় বলছেন- (এইখানে একটি দোয়া আছে)