সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->মুশরিকদের পরাজিত ও প্রকম্পিত করার দু‘আ। হাঃ-২৯৩১

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধের দিন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করেন, ‘আল্লাহ্‌ তাদের (মুশরিকদের) ঘর ও কবর আগুনে পূর্ণ করুন। কেননা তারা মধ্যম সালাত (তথা ‘আসরের সালাত) থেকে আমাদেরকে ব্যস্ত করে রেখেছে, এমনকি সূর্য অস্তমিত হয়ে যায়।’


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->খন্দকের যুদ্ধ [৩৬]। এ যুদ্ধকে আহযাবের যুদ্ধ ও বলা হয় হাঃ-৪১১১

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত যে, তিনি খন্দকের যুদ্ধের দিন বদদু’আ করে বলছিলেন, আল্লাহ তাদের ঘরবাড়ি ও কবর আগুন দ্বারা ভরে দিন। কারণ তারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সলাতের সময় ব্যস্ত করে রেখেছে, এমনকি সূর্য অস্তমিত হয়ে গেছে। (২৯৩১) (আ.প্র. ৩৮০৫, ই.ফা. ৩৮০৮)


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->‘‘তোমরা সলাতের প্রতি যত্নবান হবে বিশেষত মধ্যবর্তী সলাতের।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৩৮) হাঃ-৪৫৩৩

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আবদুর রহমান ....... ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, খন্দক যুদ্ধের দিন কাফিরগণ আমাদেরকে মধ্যবর্তী সলাত থেকে বিরত রাখে এমনকি এ অবস্থায় সূর্য অস্তমিত হয়ে যায়। আল্লাহ তাদের কবর ও তাদের ঘরকে অথবা (রাবীর সন্দেহ) পেটকে আগুন দ্বারা পূর্ণ করুক। [২৯৩১] (আ.প্র. ৪১৭৩, ই.ফা. ৪১৭৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->‘আসরের সলাত ছুটে যাওয়া সম্পর্কে হাঃ-১৩০৭

‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা’আলা তাদের ক্ববর ও ঘর-বাড়ী যেন আগুন দিয়ে ভরে দেন। কারণ তারা আমাদেরকে যুদ্ধের কাজ-কর্মে ব্যস্ত রেখে ‘সলাতুল উসত্বা’ (আসরের সলাত) থেকে বিরত রেখেছে এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল। (ই.ফা.১২৯৪, ই.সে.১৩০৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->যারা বলে মধ্যবর্তী সলাত হচ্ছে ‘আসরের সলাত-তার দলীল হাঃ-১৩০৯

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদের (যুদ্ধ তৎপরতায়) ব্যস্ত রাখার কারণে আমরা আসরের সলাত আদায় করতে পারিনি এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা যেন তাদের ক্ববর, বাড়ী-ঘর ও পেটসমূহ আগুন দ্বারা ভর্তি করে দেন। বর্ণনাকারী শু‘বাহ্ ঘর-বাড়ী ও পেটসমূহ কথাটি সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছেন। (ই.ফা.১২৯৬, ই.সে.১৩০৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->যারা বলে মধ্যবর্তী সলাত হচ্ছে ‘আসরের সলাত-তার দলীল হাঃ-১৩১১

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন খন্দকের একটি খাঁজ বা সংকীর্ণ পথের উপর বসে বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে “সলাতুল উসত্বা” (মধ্যবর্তী সময়ের সলাত বা আসরের সলাত) আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে এবং এমনকি এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ক্ববর ও বাড়ি-ঘর অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ ক্ববরসমূহ অথবা পেট আগুন দ্বারা যেন ভর্তি করে দেন। (ই.ফা.১২৯৮, ই.সে.১৩১০)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->যারা বলে মধ্যবর্তী সলাত হচ্ছে ‘আসরের সলাত-তার দলীল হাঃ-১৩১২

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা কাফিররা আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সলাতুল উসত্বা (মধ্যবর্তীকালীন সলাত, অর্থাৎ- আসরের সলাত) থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ঘর-বাড়ী ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। অতঃপর তিনি এ সলাত মাগরিব এবং ইশার সলাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করলেন। [১] (ই.ফা.১২৯৯, ই.সে.১৩১১)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত (নামায) বাব->আসরের সলাতের হেফাজত করা। হাঃ-৬৮৪

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খন্দক যুদ্ধের দিন বলেন, আল্লাহ তাদের ঘরসমূহ ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। যেমন তারা আমাদের মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রেখেছে। [৬৮২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত (নামায) বাব->আসরের সলাতের হেফাজত করা। হাঃ-৬৮৪

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খন্দক যুদ্ধের দিন বলেন, আল্লাহ তাদের ঘরসমূহ ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। যেমন তারা আমাদের মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রেখেছে। [৬৮২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত (নামায) বাব->আসরের সলাতের হেফাজত করা। হাঃ-৬৮৪

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খন্দক যুদ্ধের দিন বলেন, আল্লাহ তাদের ঘরসমূহ ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। যেমন তারা আমাদের মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রেখেছে। [৬৮২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত (নামায) বাব->আসরের সলাতের হেফাজত করা। হাঃ-৬৮৬

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আসরের সালাত থেকে বিরত রাখলো, এমনকি সূর্য ডুবে গেল। তখন তিনি বলেন, যারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রাখলো, আল্লাহ তাদের ঘর-বাড়িগুলো ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। [৬৮৪]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা আল-বাক্বারাহ হাঃ-২৯৮৪

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাবে যুদ্ধের দিন (এই) দু’আ করেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি এদের (কাফিরদের) ক্ববরসমূহ ও ঘরসমূহকে আগুন দিয়ে ভর্তি করে দাও, যেমন তারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী নামায হতে বিরত রেখেছে, এমনকি সূর্য ডুবে গেছে। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (৪৩৬), বুখারী (৪৫৩৩), মুসলিম।