সহিহ বুখারী অঃ->অনুমতি চাওয়া বাব->অমুসলিমদের সালামের জবাব কীভাবে দিতে হবে। হাঃ-৬২৫৬

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার একদল ইয়াহূদী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললঃ আস্‌সামু আলাইকা। (তোমার মরণ হোক)। আমি এ কথার অর্থ বুঝে বললামঃ আলাইকুমুস্‌ সামু ওয়াল লানাতু। (তোমাদের উপর মৃত্যু ও লা’নাত)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! তুমি থামো। আল্লাহ্‌ সর্ব হালতে নম্রতা পছন্দ করেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তারা যা বললোঃ তা কি আপনি শুনেননি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এ জন্যই আমিও বলেছি, ওয়া আলাইকুম (অর্থাৎ তোমাদের উপরও)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৯)


সহিহ বুখারী অঃ->আল্লাহ্‌দ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবার প্রতি আহ্বান ও তাদের সাথে যুদ্ধ বাব->যখন কোন যিম্মী বা অন্য কেউ নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বাক্‌চাতুরির মাধ্যমে গালি দেয় এবং স্পষ্ট করে না, যেমন তার কথা ‘আস্‌সামু আলাইকা’ (তোমার মরণ হোক)। হাঃ-৬৯২৭

আবূ নু‘আয়ম (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদল ইয়াহূদী নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে প্রবেশের অনুমতি চাইল। (প্রবেশ করার সময়) তারা বলল ‘আস্‌সামু আলাইকা’ (তোমার মৃত্যু হোক)। তখন আমি বললাম, বরং তোদের উপর মৃত্যু ও লা‘নত হোক। নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশা! আল্লাহ্ কোমল। তিনি সকল কাজে কোমলতা পছন্দ করেন। আমি বললাম, আপনি কি শুনেননি তারা কী বলেছে? তিনি বললেনঃ আমিও তো বলেছি ওয়া-আলাইকুম (এবং তোমাদের উপরও)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৮)