সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->- হাঃ-৪৫২২

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই বলে দু‘আ করতেন ঃ اللهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ “হে আমাদের প্রভু! এ দুনিয়াতেও আমাদের কল্যাণ দান কর এবং আখিরাতেও কল্যাণ দান কর এবং দোজখের ‘আযাব থেকে আমাদের রক্ষা কর” (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২০১)। (আ.প্র. ৪১৬৪, ই.ফা. ৪১৬৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->দুনিয়াতে শাস্তি কার্যকরের জন্য দু‘আ করা অপছন্দনীয় হাঃ-৬৭২৯

হুমায়দ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

হুমায়দ (রহঃ)-এর সূত্রে ‘জাহান্নাম থেকে আমাদের রক্ষা কর’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। এর অতিরিক্ত অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৫৯২, ই.সে. ৬৬৪৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করো এবং আখিরাতে কল্যাণ দান করো আর জাহান্নাম হতে আমাদের মুক্তি দাও- এ দু‘আর মর্যাদা হাঃ-৬৭৩৩

‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কাতাদাহ্ আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন্ দু‘আ সর্বাধিক পড়তেন? তিনি বললেন, তিনি যে দু‘আ দ্বারা সর্বাধিক দু‘আ করতেন তাতে বলতেন : “আল্ল-হুম্মা আ-তিনা- ফিদ্দুন্ইয়া- হাসানাতাও ওয়াফিল আ-খিরতি হাসানাতাও ওয়াকিনা- ‘আযা-বান্ না-র”। অর্থাৎ- ‘হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দান কর এবং আখিরাতে কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে বাঁচিয়ে রাখো।’ রাবী বলেন, আনাস (রাঃ) যখনই কোন দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ন্যায়] দু‘আ করতেন। তারপর যখন তিনি কোন ব্যাপারে দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তাতে এ দু‘আ পড়তেন। (ই.ফা. ৬৫৯৬, ই.সে. ৬৬৪৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করো এবং আখিরাতে কল্যাণ দান করো আর জাহান্নাম হতে আমাদের মুক্তি দাও- এ দু‘আর মর্যাদা হাঃ-৬৭৩৪

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আ পাঠ করতেন : “রব্বনা- আ-তিনা- ফিদ্দুন্ইয়া- হাসানাও ওয়াফিল আ-খিরতি হাসানাতাও ওয়াকিনা- ‘আযা-বান্ না-র”। অর্থাৎ- ‘হে আমাদের রব! আমাদের পার্থিব জীবনে কল্যাণ দান করো, আখিরাতে কল্যাণ দান করো। আর জাহান্নামের শাস্তি হতে আমাদের বাঁচাও।’ (ই.ফা. ৬৫৯৭, ই.সে. ৬৬৪৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিতর সালাত বাব->(ইস্তিগফার) ক্ষমা প্রার্থণা সম্পর্কে হাঃ-১৫১৯

‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ক্বাতাদাহ (রহঃ) আনাস (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময় কোন দু‘আ পাঠ করতেন তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু‘আ পাঠ করতেনঃ “আল্লাহুম্মা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতান ওয়া ফিল আখিরাতি হাসনাতাও ওয়াক্বিনা ‘আযাবান নারি।” যিয়াদের বর্ণনায় এটাও রয়েছে যে, আনাস (রাঃ) কেবল একটি দু‘আ দিয়ে মুনাজাতের ইচ্ছা করলে এটিই পাঠ করতেন, আর একাধিক দু‘আ পড়তে চাইলেও তাতে এ দু‘আ শামিল করতেন। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।