সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর মর্যাদা। হাঃ-৩৭৬৮

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ‘আয়িশা! জিবরাঈল (আরবী) তোমাকে সালাম বলেছেন। আমি উত্তরে বললাম, “ওয়া আলাইহিস্ সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। আপনি যা দেখতে পান আমি তা দেখতে পাই না। এ কথা দ্বারা তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বুঝিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৯৪)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->কারো সঙ্গীকে তার নামের কিছু অক্ষর কমিয়ে ডাকা । হাঃ-৬২০১

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশা! এই যে জিবরীল (‘আ) তোমাকে সালাম বলেছেন। তিনি বললেনঃ তাঁর উপরও আল্লাহ্‌র শান্তি ও রহমত নাযিল হোক। এরপর তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেখেন, যা আমি দেখি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১৯৫

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, জিব্রীল (‘আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। আমি বললাম, তাঁর প্রতিও সালাম এবং আল্লাহর রহ্মাত বর্ষিত হোক। (ই.ফা. ৬০৮২, ই.সে. ৬১২০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->শিষ্টাচার বাব->যে ব্যক্তি বলে, অমুক আপনাকে সালাম দিয়েছে হাঃ-৫২৩২

আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আয়িশাহ (রাঃ) তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেছেন: জিবরাঈল (আ) তোমাকে সালাম জানিয়েছে। আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ “ওয়া ‘আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ” (অর্থ: তার উপরেও শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক!)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->শিষ্টাচার বাব->সালামের উত্তর দেয়া হাঃ-৩৬৯৬

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, জিবরাঈল (আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তাঁর প্রতিও সালাম এবং আল্লাহর রহমত। [৩০২৮]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->অনুমতি প্রার্থনা বাব->সালাম পৌঁছানো হাঃ-২৬৯৩

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিয়েছেন। তিনি (‘আয়িশাহ) বললেন, ওয়া ‘আলাইহিস সালামু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর মর্যাদা হাঃ-৩৮৮২

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ জিবরীল ('আঃ) তোমাকে সালাম বলেছেন। আমি বললাম, তার উপরও শান্তি ও আল্লাহ তা'আলার রহমাত বর্ষিত হোক । সহীহঃ ২৬৯৩ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->(গনীমতে) ঘোড়ার অংশ হাঃ-৩৫৯৩

আব্বাদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বর যুদ্ধের পর যুবায়র ইব্‌ন আওয়ামকে গণীমতের মাল থেকে চার অংশ দেন। এক অংশ তাঁর নিজের, এক অংশ যুবায়রের মাতা সাফ্‌য়্যা বিন্‌ত আব্দুল মুত্তালিবের- নিকটাত্মীয়ের অংশরূপে এবং দুই অংশ ঘোড়ার জন্য।


সুনান নাসাঈ অঃ->স্ত্রীর সাথে ব্যবহার বাব->এক স্ত্রী অপেক্ষা অপর স্ত্রীকে বেশী ভালবাসা হাঃ-৩৯৫২

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর আল্লাহপাক ওহী নাযিল করলেন। আমি উঠে গেলাম এবং তাঁর আমার মাঝখানে দরজা ভেজিয়ে দিলাম। যখন ওহী নাযিল শেষ হল ও তাঁর কষ্ট লাঘব হল, তখন তিনি আমাকে বললেনঃ হে আয়েশা! জিবরাঈল (আঃ) তোমাকে সালাম পেশ করেছেন।