আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ তা’আলা আদম (‘আঃ)-কে সৃষ্টি করলেন। তাঁর দেহের দৈর্ঘ্য ছিল ষাট হাত। অতঃপর তিনি (আল্লাহ) তাঁকে (আদমকে) বললেন, যাও। ঐ ফেরেশতা দলের প্রতি সালাম কর এবং তাঁরা তোমার সালামের জওয়াব কিভাবে দেয় তা মনোযোগ দিয়ে শোন। কারণ সেটাই হবে তোমার এবং তোমার সন্তানদের সালামের রীতি। অতঃপর আদম (‘আঃ) (ফেরেশতাদের) বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকুম”। ফেরেশতামন্ডলী তার উত্তরে “আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়া রহ্মাতুল্লাহ” বললেন। ফেরেশতারা সালামের জওয়াবে “ওয়া রহ্মাতুল্লাহ” শব্দটি বাড়িয়ে বললেন। যারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন তারা আদম (‘আঃ)–এর আকৃতি বিশিষ্ট হবেন। তবে আদম সন্তানের দেহের দৈর্ঘ্য সর্বদা কমতে কমতে বর্তমান পরিমাপে এসেছে। (৬২২৭, মুসলিম ৫১/১১ হাঃ ২৮৪১, আহমাদ ৮১৭৭) (আ.প্র. ৩০৮০, ই.ফা. ৩০৮৮)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তাঁর নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশ্তারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকুম”। জবাবে তারা বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ্”। তাঁরা ওয়ারহমাতুল্লাহ্ বাড়িয়ে বলেছেনঃ । অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,] তারপর আদাম (‘আঃ)-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ই.ফা. ৬৯০০, ই.সে. ৬৯৫৭)