সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, তার বংশকে যেন গালি দেয়া না হয়। হাঃ-৩৫৩১

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাসসান (রাঃ) কবিতার ছন্দে মুশরিকদের নিন্দা করতে অনুমতি চাইলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার বংশকে কিভাবে তুমি আলাদা করবে? হাসসান (রাঃ) বললেন, আমি তাদের মধ্য হতে এমনভাবে আপনাকে আলাদা করে নিব যেমনভাবে আটার খামির হতে চুলকে আলাদা করে নেয়া হয়। ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বলেন, আমি হাসসান (রাঃ) -কে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর সম্মুখে তিরস্কার করতে উদ্যত হলে, তিনি আমাকে বললেন, তাকে গালি দিও না। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর তরফ হতে কবিতার মাধ্যমে শত্রুর কথার আঘাত প্রতিহত করত।


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->ইফ্‌ক-এর ঘটনা হাঃ-৪১৪৫

হিশামের পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর সামনে হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে গালি দিতে লাগলে তিনি বললেন, তাঁকে গালি দিও না। কারণ তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হয়ে কাফিরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতেন। 'আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) কবিতার মাধ্যমে মুশরিকের নিন্দাবাদ করার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে অনুমতি চাইলে তিনি বললেন, তুমি কুরাইশদের নিন্দায় কবিতা রচনা করলে আমার বংশকে কি পৃথক করবে? আমি আপনাকে তাদের থেকে এমনভাবে পৃথক করে রাখব যেমনভাবে আটার খামির থেকে চুল পৃথক করা হয়। [৩৫৩১] মুহাম্মদ (রহঃ) বলেছেন, 'উসমান ইবনু ফারকাদ (রহঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আমি হিশাম (রহঃ)-কে তার পিতা 'উরওয়াহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমি হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে গালি দিয়েছি। কেননা তিনি ছিলেন, 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর প্রতি অপবাদ রটনাকারীদের একজন। (আ.প্র. ৩৮৩৩, ই.ফা. ৩৮৩৬)