আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আযান ও প্রথম কাতারের মর্যাদা মানুষ যদি জানত আর কুর‘আ নিক্ষেপ ব্যতীত সে সুযোগ তারা না পেত, তাহলে কুর‘আ নিক্ষেপ করত, তেমনি আগে ভাগে জামা‘আতে শরীক হবার মর্যাদা যদি তারা জানত তাহলে তারা সেদিকে ছুটে যেত। তেমনি ঈশা ও ফাজরের জামা‘আতে হাযির হবার মর্যাদা যদি তারা জানত তাহলে হামাগুরি দিয়ে হলেও তারা তাতে হাযির হত।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আযান দেয়া এবং প্রথম লাইনে দাঁড়ানোর মধ্যে যে কি মর্যাদা রয়েছে তা যদি মানুষ জানতে পারত, তবে তা পাবার জন্য তারা প্রয়োজনবোধে লটারী করত। দুপুরের সলাতের যে মর্যাদা রয়েছে তা যদি তারা জানতে পারত, তবে তারা এটা লাভ করার প্রতিযোগিতায় লেগে যেত। ইশা ও ফাজরের সলাতের মধ্যে (তাদের জন্য) কি মর্যাদা রয়েছে তা যদি জানতে পারত তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এসে সলাতে উপস্থিত হত। (ই. ফা. ৮৬৩, ই. সে. ৮৭৬)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা যদি জানতে পারত আযান দেওয়া ও প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কত সাওয়াব রয়েছে, তাহলে তাদের এতো ভীড় হত যে, শেষ পর্যন্ত লটারি করে ঠিক করতে হত (কে আযান দেবে এবং কে প্রথম কাতারে দাঁড়াবে)। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৯৯৮), বুখারী ও মুসলিম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা যদি আযান দেয়া ও সালাতে প্রথম কাতারে দাঁড়াবার ফযীলত জানত, আর এ ফযীলত অর্জন করার জন্য লটারী ব্যতীত অন্য কোন (বিকল্প) ব্যবস্থা না পেত তাহলে অবশ্যই তারা লটারীর সাহায্য নিত। আর যদি তারা জানত যে, প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় করার কত বেশি ফযীলত তাহলে তারা ওয়াক্তের প্রথমভাগেই সালাতে আসার ব্যাপারে একে অপরের অগ্রগামী হতো। আর তারা যদি জানত যে, ‘আতামা ও ফজরের সালাতে কত বেশি ফযীলত, তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও সালাতে উপস্থিত হতো।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) : বলেছেন : মানুষ যদি জানত, আযান দেয়া এবং সালাতের প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কি ফযীলত রয়েছে, তবে তা পাবার জন্য লটারী ছাড়া উপায় না থাকলে তারা তার জন্য লটারী করত। আর তারা যদি জানত যে, দ্বি-প্রহরের (যোহর ও জুম'আ) সালাতের প্রথম সময়ে গমনে কি রয়েছে, তবে তার দিকে দ্রুতগতিতে ধাবিত হত। আর তারা যদি জানত ইশা ও ফজরের সালাতে কি রয়েছে, তাহলে উভয় সালাতের জন্য অবশ্যই হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হত।