সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->কোন ব্যক্তির সন্তান জন্মানোর পূর্বেই সে শিশুর নাম দিয়ে তার ডাকনাম রাখা। হাঃ-৬২০৩

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবচেয়ে অধিক সদাচারী ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল; ‘তাকে আবূ ‘উমায়র’ বলে ডাকা হতো। আমার ধারনা যে, সে তখন মায়ের দুধ খেতো না। যখনই সে তাঁর নিকট আসতো, তিনি বলতেনঃ হে আবূ ‘উমায়র! কী করছে তোমার নুগায়র? সে নুগায়র পাখিটা নিয়ে খেলতো। আর প্রায়ই যখন সলাতের সময় হতো, আর তিনি আমাদের ঘরে থাকতেন, তখন তাঁর নীচে যে বিছানা থাকতো, একটু পানি ছিটিয়ে ঝেড়ে দেয়ার জন্য আমাদের আদেশ করতেন। তারপর তিনি সলাতের জন্য দাঁড়াতেন এবং আমরাও তাঁর পেছনে দাঁড়াতাম। আর তিনি আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করতেন।[৬১২৯; মুসলিম ৩৮/৫, হাঃ ২১৫০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->জানাযা সম্পর্কিত বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মাতার ক্ববর যিয়ারাতের জন্য আল্লাহর নিকট অনুমতি চাওয়া সম্পর্কে হাঃ-২১৫০

ইবনু বুয়ায়দাহ্ (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি [বুরায়দাহ্ ইবনু হুসায়ব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি তোমাদেরকে ক্ববর যিয়ারাত করতে নিষেধ করতাম। (এখন অনুমুতি দিচ্ছি) তোমরা ক্ববর যিয়ারাত করতে পার। আমি ইতোপূর্বে তিনদিনের বেশি কুরবানী গোশ্ত রাখার ব্যাপারে তোমাদেরকে নিষেধ করতাম। এখন তোমাদের যতদিন ইচ্ছা রাখতে পার। এছাড়া আমি তোমাদেরকে পানির পাত্রে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা যে কোন পানির পাত্রে তা তৈরি করতে পার। তবে নেশার বস্তু (মাদকদ্রব্য) পান করো না। (ই.ফা. ২১২৯, ই.সে. ২১৩২)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->শিষ্টাচার বাব->রসিকতা হাঃ-৩৭২০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে মেলামেশা করতেন, এমনকি তিনি আমার এক ছোট ভাইকে বলতেন : হে আবূ উমায়র! কী করেছে নুগায়র? ওয়াকী’ (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ যে পাখিটি নিয়ে আবূ উমাইর খেলা করতো। [৩০৫২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->শিষ্টাচার বাব->সন্তান ভূমিষ্ঠ না হতেই কোন ব্যক্তির উপনাম গ্রহণ হাঃ-৩৭৪০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের এখানে আসতেন এবং আমার এক ছোট্ট ভাইকে আবূ উমাইর বলে ডাকতেন। [৩০৭২]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->বিছানার উপর নামায আদায় করা হাঃ-৩৩৩

আবূ তাইয়াহ আয্-যুবাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (কপট লোকাচার বাদ দিয়ে) স্বাভাবিকভাবে আমাদের সাথে মিলেমিশে থাকতেন। এমনকি তিনি আমার ছোট ভাইকে বলতেনঃ হে আবূ উমাইর! কোথা তোমার নুগায়ির (লাল পাখি)। রাবী বলেন, আমাদের বিছানা পানি দিয়ে ধুয়ে দেয়া হল, তিনি তার উপর নামায আদায় করলেন। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৩৭২০, ৩৭৪০), বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সদ্ব্যবহার ও পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখা বাব->কৌতুক করা হাঃ-১৯৮৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের (ছোটদের) সাথে মিশতেন। এমনকি আমার ছোট ভাইটিকে তিনি কৌতুক করে বলতেনঃ হে আবূ উমাইর! কি করেছে নুগাইর (ছোট পোষা পাখি)। সহীহ, বুখারী ও মুসলিম। ৩৩৩ নং হাদিস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে