সহিহ বুখারী অঃ->আহকাম বাব->দু’জন আমীরের প্রতি শাসনকর্তার আদেশ, যখন তাদেরকে কোন জায়গার দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয় যেন তারা পরস্পরকে মান্য করে, বিরোধিতা না করে। হাঃ-৭১৭২

আবূ বুরদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পিতা ও মু‘আয ইব্‌নু জাবালকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা সহজ করো, কঠোর করো না (১৭৬) , তাদের সুসংবাদ দাও, ভয় দেখায়ও না এবং পরস্পর পরস্পরকে মেনে চলো। তখন আবূ মূসা (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমাদের দেশে ‘বিত্’ নামীয় এক ধরণের পানীয় প্রস্তুত করা হয়। জওয়াবে তিনি বললেনঃ প্রত্যেক নেশা সৃষ্টিকারী বস্তুই হারাম। নাযর, আবূ দাঊদ, ইয়াযিদ ইব্‌নু হারুন, ওকী (রহঃ)...... সা‘ঈদ- এর দাদা আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম হাঃ-৫১১০

সা’ঈদ ইবনু আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) তাঁর পিতা, তিনি দাদা হতে থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ও মু’আয (রাঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন এবং তাদেরকে বললেনঃ তোমরা (মানুষকে) সুসংবাদ দিবে আর (দীনকে) সহজভাবে প্রকাশ করবে, (মানুষকে) দ্বীন শিক্ষা দেবে, কাউকে (দীন থেকে) পৃথক করে দিবে না। আমার ধারণা হয়, তিনি ‘একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করবে’ কথাটিও বলেছেন। তিনি যাত্রা করলে আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তাদের তো মধু থেকে বানানো মদ আছে যা পাকিয়ে ঘন করা হয় এবং ‘মিয্‌র’ আছে যা যব দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যা কিছু সলাত হতে বিরত করে তা-ই হারাম। (ই ফা ৫০৪৫ ই সে ৫০৫৫)