যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খেজুর পাতা অথবা চাটাই দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি ছোট কামরা তৈরী করে তাতে সলাত আদায় করতে গেলেন। এ দেখে কিছু সংখ্যক লোক এসে তাঁর সাথে সলাত আদায় করলেন। যায়দ ইবনু সাবিত বলেনঃ অন্য এক রাতেও লোকজন এসে জমা হ'ল। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সে রাতে) দেরী করলেন এবং এমনকি তিনি সে রাতে আসলেন না। তাই লোকজন উচ্চৈঃস্বরে তাঁকে ডাকাডাকি করল এবং বাড়ীর দরজায় কঙ্কর ছুঁড়তে শুরু করল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হয়ে তাদের মাঝে এসে বললেনঃ তোমরা যখন ক্রমাগত এরূপ করছিলে তখন আমার ধারণা হ'ল যে, এ সলাত হয়ত তোমাদের জন্য ফরয করে দেয়া হবে। অতএব তোমরা বাড়িতেই (নাফ্ল) আদায় করবে। কেননা ফরয সলাত ছাড়া অন্যসব সলাত বাড়ীতে আদায় করা মানুষের জন্য সর্বোত্তম। (ই.ফা. ১৬৯৫, ই.সে. ১৭০২)
যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে একটি হুজরাহ বানিয়ে নিলেন। রাতে সেখানে গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরাও তাঁর সাথে সলাত আদায় করতো এবং তারা প্রতি রাতে সেখানে একত্র হতো। এক রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকট (মাসজিদে) না আসায় তারা গলা খাকাড়ি ও উচ্চস্বরে কথাবার্তা বললো, এমনকি তাঁর দরজায় কংকর নিক্ষেপ করলো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট মনে তাদের নিকট এসে বললেনঃ হে লোকেরা! তোমাদের কি হলো যে, তোমরা (নাফ্ল সলাত জামা‘আতে আদায়ের জন্য) ব্যতিব্যস্ত হচ্ছো? আমি আশংকা করছি, তোমরা এভাবে এলে রাতের নাফ্ল সলাত তোমাদের উপর ফরয করা হতে পারে? কাজেই নাফ্ল সলাত তোমাদের নিজ নিজ ঘরে আদায় করা উচিত। কেননা ফরয সলাত ছাড়া প্রত্যেক ব্যক্তির নাফ্ল সলাত নিজ ঘরে আদায় করাই উত্তম। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।