সহিহ বুখারী অঃ->সৃষ্টির সূচনা বাব->জ্বিন, তাদের পুরস্কার এবং শাস্তির বিবরণ। হাঃ-৩২৯৬

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)- কে বলেছেন, ‘আমি তোমাকে দেখছি তুমি বকরির পাল ও মরুভূমি পছন্দ করছ। অতএব, তুমি যখন তোমার বকরির পাল নিয়ে মরুভূমিতে অবস্থান করবে, সালাতের সময় হলে আযান দিবে, আযানে তোমার স্বর উচ্চ করবে। কেননা মুআয্‌যিনের কণ্ঠস্বর জ্বিন, মানুষ ও যে কোন বস্তু শুনে, তারা ক্বিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে।’ আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে শুনেছি।


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণী: কুরআন সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তি জান্নাতে সন্মানিত পূত-পবিত্র কাতিব ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে। অতএব, তোমাদের (সুললিত) কন্ঠ দ্বারা কুরআনকে সৌন্দর্যমন্ডিত কর। হাঃ-৭৫৪৮

আবূ সা'ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি 'আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু 'আবদুর রহমান ইব্‌নু আবূস'স’আহ (রহঃ) -কে বললেন, আমি তোমাকে দেখেছি, তুমি বক্‌রীপাল ও ময়দানকে ভালবাস। সুতরাং তুমি যখন বক্‌রীর পাল কিংবা ময়দানে থাকবে, তখন সালাতের জন্য উচ্চৈঃস্বরে আযান দেবে। কারণ মুআয্‌যিনের আযানের স্বর যতদূর পৌছবে, তত দূরের জ্বিন, ইনসান, অন্যান্য জিনিস যারাই শুনবে, ক্বিয়ামতের দিন তারা তার স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেবে। আবূ সা'ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি এটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০৩৯)