জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করেছি তখন থেকে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর নিকট প্রবেশ করতে বাধা দেননি এবং যখনই তিনি আমার চেহারার দিকে তাকাতেন তখন তিনি মুচকি হাসতেন।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমার অসুবিধার কথা জানালাম যে, আমি অশ্ব পৃষ্ঠে স্থির থাকতে পারি না। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার বক্ষে হাত দিয়ে আঘাত করলেন এবং এ দু‘আ করলেন, ‘হে আল্লাহ্! তাকে স্থির রাখুন এবং তাকে হিদায়াতকারী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত করুন।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম কবূল করার পর হতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট প্রবেশে আমাকে বাধা দেননি। তিনি আমার মুখমণ্ডলে মৃদু হাসি ব্যতীত দেখেননি। ইবনু নুমায়র (রহঃ) তাঁর হাদীসে ইবনু ইদ্রীস (রহঃ) হতে বর্ধিত রিওয়ায়াত করেছেন, “আমি তার নিকট অভিযোগ করলাম যে, আমি ঘোড়ার পৃষ্ঠে দৃঢ়ভাবে থাকতে পারি না। তখন তিনি তাঁর হাত দ্বারা আমার বুকে মৃদু আঘাত করে দু’আ করলেন: ……………………. . . “হে আল্লাহ! তাকে স্থির রাখুন এবং তাকে হিদায়াতকারী ও হিদায়াতপ্রপ্তের অন্তর্ভুক্ত করুন।” (ই. ফা. ৬১৪০, ই. সে. ৬১৮২)
জারীর বিন আবদুল্লাহ আল-বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইসলাম গ্রহণের দিন থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে প্রবেশে আমাকে কখনো বাধা দেননি এবং তিনি যখনই আমাকে দেখেছেন আমার সামনে হেসে দিয়েছেন। আমি তাঁর নিকট অভিযোগ করি যে, আমি ঘোড়ার পিঠে স্থির হয়ে থাকতে পারি না। তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার বুকে মৃদু আঘাত করে বলেন, হে আল্লাহ্! তাকে (ঘোড়ার পিঠে) স্থির রাখো এবং তাকে হিদায়াতকারী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত বানিয়ে দাও। [১৫৭]
আবদুর রহমান ইবনু আবী ‘উমাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী ছিলেন; নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আবিয়া (রাঃ)-এর জন্য দু’আ করেনঃ “হে আল্লাহ্! তুমি তাকে পথপ্রদর্শক ও হেদায়াতপ্রাপ্ত বানাও এবং তার মাধ্যমে (মানুষকে) সৎপথ দেখাও। সহীহঃ মিশকাত (৬২৩) সহীহাহ্ (১৯৬৯)।