সহিহ বুখারী অঃ->আহকাম বাব->শাসকের প্রশংসা করা এবং বাইরে এসে তার উল্টা বলা অপছন্দনীয়। হাঃ-৭১৭৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন- দু’মুখো লোকেরা সবচেয়ে খারাপ যারা এদের কাছে এক চেহারা নিয়ে আসে আবার ওদের কাছে আর এক চেহারা নিয়ে আসে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯০)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->দ্বি-মুখী লোকের নিন্দা ও তার এ কাজে হারামকরণ প্রসঙ্গে হাঃ-৬৫২৪

আবূ হুরাইরাহ্, (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের মধ্যে দু’ রূপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে এবং অন্য দলের নিকট আসে অন্য আরেক রূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯২, ই.সে. ৬৪৪৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->দ্বি-মুখী লোকের নিন্দা ও তার এ কাজে হারামকরণ প্রসঙ্গে হাঃ-৬৫২৫

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নিশ্চয়ই তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ দু’ রুপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যে ব্যক্তি এ দলের নিকটে আসে একরূপ নিয়ে ও অন্যদলের কাছে আসে একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৩, ই.সে. ৬৪৪৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->দ্বি-মুখী লোকের নিন্দা ও তার এ কাজে হারামকরণ প্রসঙ্গে হাঃ-৬৫২৬

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে দু’ রূপধারী মানুষকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট পাবে। এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে অন্য দলের কাছে আসে আর একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৪, ই.সে. ৬৪৪৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->শিষ্টাচার বাব->দ্বিমুখী চরিত্রের লোক সম্পর্কে হাঃ-৪৮৭২

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ হলো দ্বিমুখী চরিত্রের লোক। তারা এক দলের নিকট এক চেহারা নিয়ে এবং অপর দলের নিকট অন্য চেহারা নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সদ্ব্যবহার ও পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখা বাব->দ্বিমুখীপনা প্রসঙ্গে হাঃ-২০২৫

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত দিবসে দ্বিমুখী স্বভাবের মানুষেরা আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট বলে গন্য হবে। সহীহ, সহীহুল জামি’ (২২২৬) , সহীহুল আদাবিল মুফরাদ (৯৮৭) , বুখারী, মুসলিম।