সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->যে ব্যক্তি সওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল পরিত্যাগ করে না । হাঃ-১৯০৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহ্‌র কোন প্রয়োজন নেই।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->সওম পালনকারীর জন্য গীবাত করা হাঃ-২৩৬২

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ যদি সওম পালন করেও মিথ্যা বলা ও অপকর্ম ত্যাগ না করে, তাহলে তার পানাহার বর্জন করাতে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->রোযাদার ব্যক্তির গীবত ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়া । হাঃ-১৬৮৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যাচার, মূর্খতা ও মূর্খতাসুলভ কাজ ত্যাগ করলো না, তার পানাহার বর্জন করায় আল্লাহ্‌র কোন প্রয়োজন নেই। [১৬৮৯]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->রোযা থাকা অবস্থায় গীবাত করা প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি হাঃ-৭০৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অন্যায় কথাবার্তা (গীবাত, মিথ্যা, গালিগালাজ, অপবাদ, অভিসম্পাত ইত্যাদি) ও কাজ যে লোক (রোযা থাকা অবস্থায়) ছেড়ে না দেয়, সে লোকের পানাহার ত্যাগে আল্লাহ্‌ তা’আলার কোন প্রয়োজন নেই। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৮৯), বুখারী