সহিহ বুখারী অঃ->যামিন হওয়া বাব->আল্লাহ তা’আলার বাণী: “যাদের সঙ্গে তোমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তাদেরকে তাদের অংশ দিয়ে দিবে।” (আন-নিসা : ৩৩) হাঃ-২২৯৪

আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার নিকট কি এ হাদীস পৌঁছেছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইসলামে হিল্‌ফ (জাহিলী যুগের সহযোগিতা চুক্তি) নেই? তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে কুরাইশ এবং আনসারদের মধ্যে সহযোগীতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->কেউ তার মুসলিম ভাইকে অকারণে কাফির বললে সে নিজেই তা যা সে বলেছে। হাঃ-৬১০৫

সাবিত ইবনু যাহ্‌হাক (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের মিথ্যা শপথ করে, সে যা বলে তা-ই হবে। আর যে বস্তু দিয়ে কেউ আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনে তাকে সেই বন্তু দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। ঈমানদারকে লা’নাত করা, তাকে হত্যা করার সমতুল্য। আর কেউ কোন ঈমানদারকে কুফ্‌রীর অপবাদ দিলে, তাও তাকে হত্যা করার সমতুল্য হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬২)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->ভ্রাতৃত্বের ও প্রতিশ্রুতির বন্ধন স্থাপন। হাঃ-৬০৮৩

আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম আপনি জানেন কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে প্রতিশ্রুতি নেই? তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আমার ঘরেই কুরায়শ আর আনসারদের মাঝে পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির বন্ধন জুড়ে দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪১)


সহিহ বুখারী অঃ->শপথ ও মানত বাব->ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের কসম করলে। হাঃ-৬৬৫২

সাবিত ইবনু যহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের কসম করলে সেটা ঐ রকম হবে, যেমন সে বলল। তিনি (আরও বলেছেন) কেউ কোন জিনিসের দ্বারা আত্মহত্যা করলে, জাহান্নামের আগুনে তাকে ঐ জিনিস দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। কোন মু‘মিনকে লা‘নত করা তাকে হত্যা করা তুল্য। আর কোন মু‘মিনকে কুফরীর অপবাদ দেয়াও তাকে হত্যা করার তুল্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->আত্মহত্যা করা মহাপাপ, যে ব্যক্তি যে বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে জাহান্নামে সে বস্তু দ্বারা তাকে শাস্তি দেয়া হবে এবং মুসলিম ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। হাঃ-২০২

সাবিত ইবনু যাহ্‌হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (হুদাইবিয়াহ্‌ প্রান্তরে) গাছের নীচে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে বাই’আত করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের উপর মিথ্যা কসম করে, সে সে দলেরই। আর যে ব্যক্তি কোন বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে, কিয়ামাত দিবসে উক্ত বস্তু দ্বারা তাকে শাস্তি দেয়া হবে। যে ব্যক্তি এমন বস্তুর মানৎ করে যার মালিক সে নয়, এরূপ মানৎ কার্যকরী নয়। (ই.ফা. ২০৩; ই.সে. ২১০)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ হাঃ-৬৩৫৭

আলিম ইবনুল আহওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে তাঁর গৃহে বসেই বন্ধুত্ব –চুক্তি করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৩,ই.স ৬২৮১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ফারায়িয (ওয়ারিসী স্বত্ব) বাব->শপথ বা চুক্তি সম্পর্কে হাঃ-২৯২৬

আসিম আল-আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস্ ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘরে বসে মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক গড়েন। তাকে বলা হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি : ইসলামে কোন ওয়াদা নাই? উত্তরে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাড়িতে আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব গড়েছেন। আনাস এ কথাটা দুই-তিনবার বললেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->শপথ ও মানত বাব->ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মেও অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কসম করা। হাঃ-৩২৫৭

সাবিত ইবনুদ দাহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে (হুদায়বিয়াতে) গাছের নীচে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের নামে মিথ্যা শপথ করলে- সে যেরূপ বলবে তাই হবে। কেউ নিজেকে কোন জিনিস দ্বারা হত্যা (আত্মহত্যা) করলে তাকে ক্বিয়ামাতের দিন ঐ জিনিস দ্বারা অবিরত শাস্তি দেয়া হবে। আর কেউ যদি এমন জিনিসের মানত করে যার মালিক সে নয়, তবে এ মানতের কোন মূল্য নেই। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২০৯৮)।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->ঈমান বাব->কেউ তার ভাইকে কুফ্‌রীর অপবাদ দিলে হাঃ-২৬৩৬

সাবিত ইবনুয্‌ যাহ্‌হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দার যে জিনিসের মালিকানা নেই সে সেই জিনিসের মানত করলে তা পূরণ করা তার জন্য অপরিহার্য নয়। মু’মিনকে অভিশাপকারী তাকে হত্যাকারীর অনুরূপ। যে লোক মু’মিন ব্যক্তিকে কুফরীর অপবাদ দেয়, সেও তার হত্যাকারীর অনুরূপ। আর যে ব্যক্তি যে জিনিসের সাহায্যে আত্মহত্যা করে, আল্লাহ্‌ তা‘আলা তাকে সেই জিনিস দ্বারাই কিয়ামাত দিবসে শাস্তি দিবেন। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২০৯৮)


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->যে বস্তুতে মালিকানা নেই, তার মান্নত করা হাঃ-৩৮১৩

সাবিত ইব্‌ন যাহ্‌হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের শপথ করবে অথচ সে এ ব্যপারে মিথ্যাবাদী, তখন সে ঐরূপই হয়ে যাবে, যেমন সে বলবে। আর যে ব্যক্তি পৃথিবীতে কোন বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে, কিয়ামতের দিন তা দিয়েই তাকে আযাব দেয়া হবে। মানুষ যার মালিক নয়, তাতে তার মান্নত হয় না।