আসমা বিনতে আবূ বক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমার আম্মা মুশরিক অবস্থায় আমার নিকট এলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফাতওয়া চেয়ে বললাম, তিনি আমার প্রতি খুবই আকৃষ্ট, এমতাবস্থায় আমি কি তার সঙ্গে সদাচরণ করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তোমার মায়ের সঙ্গে সদাচরণ কর।
আবূ বাকরের কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার আম্মা আমার কাছে এসেছেন যে সময় কুরায়শদের সাথে সন্ধি বলবৎ ছিল আর তখন তিনি মুশরিকা ছিলেন। আসমা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললাম, আমার মা আমার কাছে এসেছেন আশা নিয়ে। আমি কি আমার আম্মার সাথে সদ্ব্যবহার করব? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার আম্মার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ কর। (ই.ফা. ২১৯৪, ই.সে. ২১৯৬)
আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (হুদাইবিয়ার সন্ধির সময়) আমার মা-যিনি ইসলাম বিদ্বেষী ও কুরাইশদের ধর্মাবলম্বী ছিলেন, তিনি সদ্ব্যবহার পাবার আশায় আমার নিকট আসলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার মা আমার কাছে এসেছেন, অথচ তিনি ইসলাম বিদ্বেষী মুশরিকা। আমি কি তার সাথে সদাচরণ করবো? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার মায়ের সাথে অবশ্যই সদাচরণ করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, তার মায়ের এক মাসের সওম বাকি আছে। কাজেই আমি কি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ করবো? তিনি বলেনঃ তোমার মা ঋণগ্রস্থ হলে তুমি কি তা পরিশোধ করতে না? মহিলা বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ তবে আল্লাহ্র প্রাপ্য পরিশোধ করাটা অধিক অগ্রগণ্য।