আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সৌন্দর্যের উদ্দেশে যে সব নারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে উল্কি আঁকে, যে সব নারী ভ্রূ উপড়ে ফেলে এবং যেসব নারী দাঁত সরু করে দাঁতের মাঝে ফাঁক করে- যা আল্লাহর সৃষ্টিকে বদলে দেয়, তাদের উপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ) লা‘নত করেছেন। উম্মু ইয়াকূব বললঃ এ কেমন কথা? ‘আবদুল্লাহ বললেনঃ আমি কেন তাকে লা‘নত করব না, যাকে আল্লাহর রাসূল লা‘নত করেছেন এবং আল্লাহর কিতাবও। উম্মু ইয়াকূব বললঃ আল্লাহর কসম! আমি পূর্ণ কুরআন পাঠ করেছি, কিন্তু এ কথা তো কোথাও পাইনি। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! তুমি যদি তা পড়তে, তবে অবশ্যই পেতেঃ {وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا} ‘‘রাসূল তোমাদেরকে যা দেয় তা গ্রহণ কর, আর তোমাদেরকে যাত্থেকে নিষেধ করে তাত্থেকে বিরত থাক’’- সূরাহ হাশর ৫৯/৭)। [৪৮৮৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪০১)
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সৌন্দর্যের জন্যে উল্কি অঙ্কনকারী ও উল্কি গ্রহণকারী, ভ্রু উত্তোলনকারী নারী এবং দাঁত সরু করে মাঝে ফাঁক সৃষ্টিকারী নারী, যা আল্লাহ্র সৃষ্টিকে বদলে দেয়, তাদের উপর আল্লাহ্র অভিশাপ বর্ষিত হোক। (রাবী বলেন) আমি কেন তাকে অভিশাপ করব না, যাকে আল্লাহ্র রসূল অভিশাপ করেছেন এবং তা আল্লাহ্র কিতাবে বিদ্যমান রয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪০৫)
আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য যে নারী উল্কি আঁকে ও আঁকায়, যে নারী ভ্রূ উপড়ে ফেলে এবং যে নারী দাঁত কেটে চিকন করে দাঁতের মাঝখানে ফাঁক করে- যে কাজগুলো দ্বারা আল্লাহ্র সৃষ্টির মধ্যে রূপান্তর ঘটে, এদের উপর আল্লাহ্ অভিশাপ বর্ষণ করুন। আমি কেন তার উপর অভিশাপ করব না, যাদের উপর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিশাপ করেছেন এবং মহান আল্লাহ্র কিতাবেই তা বিদ্যমান আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪১১)