সহিহ বুখারী অঃ->ইল্‌ম বাব->রাতে ‘ইল্‌ম শিক্ষাদান এবং ওয়ায-নাসীহাত করা। হাঃ-১১৫

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিদ্রা হতে জেগে বলেনঃ সুবহানাল্লাহ্‌ ! এ রাতে কতই না বিপদাপদ নেমে আসছে এবং কতই না ভাণ্ডার উন্মুক্ত করা হচ্ছে! অন্য সব ঘরের নারীদেরকেও জানিয়ে দাও, ‘বহু মহিলা যারা দুনিয়ায় পোশাক পরিহিতা, তারা আখিরাতে হবে বিবস্ত্র।’ (১১২৬, ৩৫৯৯, ৫৮৪৪, ৬২১৮, ৭০৬৯ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১১৬)


সহিহ বুখারী অঃ->তাহাজ্জুদ বাব->তাহাজ্জুদ ও নফল ইবাদতের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উৎসাহ দান করা, অবশ্য তিনি তা আবশ্যক করেননি। হাঃ-১১২৬

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একরাতে ঘুম হতে জেগে বললেনঃ সুবহানাল্লাহ্! আজ রাতে কত না ফিত্‌না নাযিল করা হল! আজ রাতে কতই না (রহমাতের) ভাণ্ডার নাযিল করা হল! কে জাগিয়ে দিবে বাড়িগুলোর লোকজনকে? ওহে! শোন, দুনিয়ার অনেক পোশাক পরিহিতা আখিরাতে উলঙ্গ হয়ে যাবে।


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->প্রতিটি যুগের চেয়ে তার পরের যুগ আরও খারাপ হবে। হাঃ-৭০৬৯

নাবী সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভীত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে বলতে লাগলেন, সুবহানাল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌ তা‘আলা কতই না খাযানা অবতীর্ণ করেছেন আর কতই না ফিত্‌না অবতীর্ণ হয়েছে। কে আছে যে হুজরাবাসিনীদেরকে জাগিয়ে দেবে, যেন তারা সলাত আদায় করে। এ বলে তিনি তাঁর স্ত্রীদেরকে উদ্দেশ্য করেছিলেন। তিনি আরও বললেনঃ দুনিয়ার মধ্যে বহু বস্ত্র পরিহিতা পরকালে উলঙ্গ থাকবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৮৯)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কলহ ও বিপর্যয় বাব->অনতিবিলম্বেই অন্ধকার রাতের টুকরার ন্যায় বিপর্যয় দেখা দিবে হাঃ-২১৯৬

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একরাতে ঘুম হতে জাগ্রত হয়ে বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! আজ রাতে কতই না বিপর্যয় নাযিল হয়েছে, কতই না অনুগ্রহের ভান্ডার অবতীর্ণ হয়েছে? এরূপ কে আছে যে এই গৃহবাসীদের জাগ্রত করবে? পৃথিবীতে অনেক পোশাক পরিহিতা, পরকালে থাকবে উলঙ্গ। সহীহ্, বুখারী।